বাবাদের হাত হয় উষর মরুর কংকর, অমসৃণ কঠিন
চৌচির ফাটল বেয়ে আজন্ম বহমান ঘাম আর রক্তের নহর।
বাবাদের রক্তে ফোটে স্বপ্নের গোলাপ, তারপর
ক্রমশ লাল থেকে ফ্যাকাশে হয়, ঝরে যায় অবশেষে।

বাবারা সলতে হয়ে জ্বলে জীবনের জটিল মোহনায়
তারপর দপ করে নিভে যায় নিরাশার দমকা হাওয়ায়।
কখনও গড়ায় না নোনাজল শিলীভূত গালে
বাবাদের অশ্রুকণা উবে যায় মেঘেদের সাথে।

বাবাদের দিনগুলি চেটে খায় আঁধারের বাদুড়
চোখের গোলক ঘিরে বসে থাকে অমানিশার চাঁদ।
বাবারা স্বপ্ন সাজায় আলোকবর্ষী ছায়াপথ জুড়ে -
ছানারা মাড়াবে সেপথ বিকিরিত মশাল হাতে।