ভয় বহুবিধ। ভয়ের উৎসও তাই। পার্থিব অপার্থিব ভীতির মধ্যেই মানবকুলের বসবাস। আবার এই বসতিও চিরন্তন নয়। শাশ্বত সত্য এই, সৃষ্টির বিলয় অনিবার্য – বহুমাত্রায়, বহুকাল ধরে। শাস্ত্রীয় বর্ণনায় রয়েছে অলৌকিক ও অচিন্ত্য ঘটনার বিবরণ যা কালের বাঁকে বাঁকে তার উপস্থিতির যথাযথ স্বাক্ষর রেখে যাবে। সার্বিক বিবেচনায় ভয় মানুষের জীবনের অপরিহার্য অনুষঙ্গ। কবিতায় সেইসব অনাগত ভীতিকর সময়ের রূপকল্প আঁকার চেষ্টা করা হয়েছে।
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
গল্প/কবিতা: ২৭টি

সমন্বিত স্কোর

৪.৫৫

বিচারক স্কোরঃ ২.১৫ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ২.৪ / ৩.০

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftকবিতা - ভয় (ডিসেম্বর ২০১৮)

বিকিরিত আঁধার
ভয়

সংখ্যা

মোট ভোট প্রাপ্ত পয়েন্ট ৪.৫৫

জামাল উদ্দিন আহমদ

comment ৮  favorite ০  import_contacts ১০৪
হাতদিয়ে টেরপাই ঘাড়ে, যদি পাই, এবং পাইও কদাপি
ঘোলা চোখ – ফোলা আঙুর, একচোখা দাজ্জাল
টেরপাই ঝুপ-কোপতরঙ্গ তির্যক
গোল মেলে ঘোরবেঘোর নিকাশ
বেসামাল কবল,চারপাশে চক্র বায়ু
বেদখল হয়ে যাই, হয়ে চলি,অনস্তিত্বের বেপথু শুন্যতায়।

চেতনার অসীমতায় বসতি গাড়ে মরুময় কায়া –
হাবিয়ার হল্কায় কাঁপে ঝাক্কুমের সারি - আকণ্ঠ কন্টক
টেরপাই মস্তিস্কের টগবগ – অন্তঃস্থ দাহ্য প্রপাত
আমাকে দখল করে দাজ্জালের কুহক – অগ্নি আর জল।

ক্রমশ তোষিত হই বিভ্রমের প্রহসন পীঠে, আঁধারের গায়ে ফেলে ছায়া
উচ্ছাস প্রকট হয় জল আর ধূলার
ঘিরে থাকে প্রপঞ্চের বিচ্ছুরিত ঝালর
অগ্নি আশ্রয় চায় বায়ুর ডানায়
ঈশান হামলে পড়ে নৈঋতের কোলে
স্থবির দৃষ্টিরা খিদামেস্কের দিকে, জীসাসনা মলেন বুঝি ওই।

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
  • Tahmina Alom Mollah
    Tahmina Alom Mollah এই ভয় - জয়ের নয়!! আপনি শুধু লেখক ই নন দামী লেখক। আজ না হোক কাল সেই চাঁদ উঠবে যার জ্যোৎস্নার আসরে আমরা আপনার স্তুতি করব আপনার অন্যন্য সৃষ্টির। ভাল থাকবেন সে পর্যন্ত.......
    প্রত্যুত্তর . ১ ডিসেম্বর, ২০১৮
    • জামাল উদ্দিন আহমদ প্রিয় সুহৃদ, আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। অনেক বেশি প্রশংসা করে ফেলেছেন। একটি কথা, সমস্যাটা আগেও দেখেছি এখনও দেখছি। আমার স্ক্রীনে ফন্টগুলো ভেঙ্গে লেজেগোবরে হয়ে গেছে। পাঠকরা পড়তেও পারবেনা, স্বাদ পাওয়াতো দূরের কথা। তবুও আপনি কষ্ট করে পড়েছেন; আমি কৃতজ্ঞ।
      প্রত্যুত্তর . ১ ডিসেম্বর, ২০১৮
  • আবু আরিছ
    আবু আরিছ একটা জিনিস বুঝিনা, যুক্তাক্ষর শব্দ, কঠিন উচ্চারণ শব্দ, এগুলো একের এক বসালেই কবিতা হয়ে গেল? কোপতরঙ্গ, বেপথু,দাজ্জালের কুহক, খিদামেস্কের, জীসাসনা ইত্যাদি শব্দ লিখেছেন? কেন লিখেছেন? আপনি যে কুহক শব্দটা লিখেছেন, এই শব্দটা কিন্তু দাজ্জালের সাথে যায় না। কুহক শব...  আরও দেখুন
    প্রত্যুত্তর . ৩ ডিসেম্বর, ২০১৮
    • জামাল উদ্দিন আহমদ আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। প্রথম পাঠককে যে উত্তর দিয়েছি তা পড়ে দেখুন। কার জন্য হয়েছে জানিনা, তবে শব্দগুলো ভেঙে একটার লেজ আরেকটার মুখে ঢুকে গেছে। ওগুলো টেনে বার করলে আপনি যেগুলো উল্লেখ করেছেন ওগুলো শুদ্ধ হয়ে দামেস্ক জীসাস কোপ তরঙ্গ ওরকম হয়ে যাবে। ধন্যবাদ সুপ্রিয় পাঠক।
      প্রত্যুত্তর . ৩ ডিসেম্বর, ২০১৮
  • জামাল উদ্দিন আহমদ
    জামাল উদ্দিন আহমদ হাত দিয়ে টের পাই ঘাড়ে, যদি পাই, এবং পাইও কদাপি
    ঘোলাচোখ – ফোলা আঙুর, একচোখা দাজ্জাল
    টের পাই ঝুপ-কোপ তরঙ্গ তির্যক
    গোলমেলে ঘোর বেঘোর নিকাশ
    বেসামাল কবল, চারপাশে চক্রবায়ু
    বেদখল হয়ে যাই, হয়ে চলি, অনস্তিত্বের বেপথু শুন্যতায়।

    চেতনার অসীমতায় বসতি গাড়ে মরুময় কায়া ...  আরও দেখুন
    প্রত্যুত্তর . ১০ ডিসেম্বর, ২০১৮
  • মোঃ মোখলেছুর  রহমান
    মোঃ মোখলেছুর রহমান অসাধারন শব্দ খেলা।
    প্রত্যুত্তর . ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৮
  • মোঃ নুরেআলম সিদ্দিকী
    মোঃ নুরেআলম সিদ্দিকী চমৎকার একটি লেখা বলবো। দারুণ উপমা দিয়ে দারুণ লেখা সবার বেলা হয় না। অনেক ভালো লেগেছে। তবে আরোকটু সাবলীল হলে যুগের সাথে তাল মিলানো যায়। শুভ কামনা বরাবরের মতই।।
    প্রত্যুত্তর . ২৯ ডিসেম্বর, ২০১৮
  •  মাইনুল ইসলাম  আলিফ
    মাইনুল ইসলাম আলিফ অভিনন্দন জামাল ভাই।
    প্রত্যুত্তর . বুধ ১২:১৪ পূর্বাহ্ণ
  • আবীর রায়হান
    আবীর রায়হান অনেক অভিনন্দন
    প্রত্যুত্তর . বুধ ৯:৩৬ পূর্বাহ্ণ
  • মোঃ মোখলেছুর  রহমান
    মোঃ মোখলেছুর রহমান হাঃ হা!
    প্রত্যুত্তর . শনি ৮:৪৩ অপরাহ্ণ

advertisement