অনুকুল, কাঙ্ক্ষিত এবং বিরল পটভূমিতে দুটি প্রণয়কামী প্রাণী আর্দ্র অনুভূতিপূর্ণ অমূল্য সময় অসার পার করে দিল। কেউ এগিয়ে এল না, মুখ ঘুরালো না, হাত বাড়াল না, এ শুধু মূর্খতাই নয়, এ হল চরম কিপটেমি। একজনও যদি উদার হত, তবে আর কিছু না হোক হাতটা বাড়িয়ে দিত। এবং তা হত অন্যমাত্রার দান। এই কবিতায় হাত গুটিয়ে রাখা কৃপণতার ছবি আঁকার চেষ্টা করা হয়েছে।
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
গল্প/কবিতা: ৪১টি

সমন্বিত স্কোর

২.৫

বিচারক স্কোরঃ ১ / ৭.০
পাঠক স্কোরঃ ১.৫ / ৩.০

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftকবিতা - কৃপণতা (নভেম্বর ২০১৮)

অনুদার শরৎ
কৃপণতা

সংখ্যা

মোট ভোট ১৫ প্রাপ্ত পয়েন্ট ২.৫

জামাল উদ্দিন আহমদ

comment ১০  favorite ০  import_contacts ২৫৭
আমরা দাঁড়ালাম যখন মানকচুর ঘাড়বাঁকা
পাতা হয়ে – উল্টোমুখো দুজনেই:
মাথার উপরে বৃষ্টিভেজা জলপাই গাছ
তার উপরে দ্রবীভূত আকাশ।

এ কেমন কলিকাল? সাদা পাল ছিঁড়েফুঁড়ে
শরৎ ঝাঁপিয়ে পড়ে বুনো মোষের মত
গর্জাতে গর্জাতে - পোয়াতি ধানের খেতে,
মদনগঞ্জের সরকারি পাঠশালার জংপোড়া টিনের চালে,
চাতালের সারি সারি টোপরের চূড়ায়,
মাঠেচরা গাড়লের রোমের কুঞ্চনে কুঞ্চনে।

আমিও বাঁকিয়ে রই, তোমারও বাঁকা ঘাড়
টপ টপ – গড়িয়ে যায় তোমার বেণী
আমারও নাক ছুঁয়ে ঝরে শীতল বর্ষণ
আমি কাঁপি থরথর, তুমিও শীতার্ত জড় ।

কলির কাশের ব্ন হতশ্রী বৃষ্টির ঝাঁটে
তবুও স্বপ্ন দেখে উড়ে যাবে কোন এক পূর্ণিমা রাতে
নির্মল ভেলা হয়ে ভুবন চিলের সাথে
দূর থেকে বহুদূরে উত্তর হতে দক্ষিণে
পূর্ব থেকে পশ্চিমে – সমুদ্রের হাওয়ায়, গিরিচূড়ার হিমে
অনন্তে, নিঃসীমতায় কোন এক শিশির-সকালে।

শিরা-উপশিরা বেয়ে গেল বৃষ্টির শিরশির
তোমার এবং আমারও – উল্টোমুখী দুজন অনুদার
পাথর কঠিন, দিইনি দুহাত মেলে কেউ
জড়িয়ে নিতে আলিঙ্গনের উষ্ণতায়।

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement