নদী তুমি যৌবনা ,যৌবন পিরে পাও,
বর্ষার আপন চিরচেনা সেই চোঁয়াতে ,
পেয়ে চোঁয়া তুমি মেতে উঠো যেন
ভাঙ্গনের সর্বনাশা নিদারুন ,নির্মম এক খেলাতে ।
এযে খেলা তোমার , দু পাড়ের জনপদ
চেয়ে চেয়ে শুধু দেখে যায় ,
সব কিছু কেমন করে ভেঙ্গে নিয়ে নাও
তোমার,অবুক্ত রাক্ষসী ওই বুকটায় ।
অসহায় সব মানুষ গুলো , অসহায়ের মত ,
তোমার বুকে সবকিছু দেয় তুলে ,
তাদের চোখের অশ্রু কনা গুলো মিশে যায়
লাগামহীন তোমার, স্রোতের সেইসব লোনা জলে ।
কি মসজিদ , কি মন্দির , কি জনপদ ,
কত শত ফসলের জমি, হারিয়েছে তোমার বক্ষ দেশে ,
সাধারন মানুষ গুলো আজ তোমার কারনে
ছুটে চলে তার নিজ ভূবনে , যাযাবরের বেসে ।
আরও হারিয়েছে কত জমমের সৃতি বিজড়িত,সোনালি গ্রাম গুলো ,
তোমার নির্মম আঘাতের বানে ,
অসহায় মানুষের আত্মচীৎকারও মিশে গেছে আজ
তোমার সর্বনাশা , প্রলয়ংকারি গর্জনে ।
নদী তোমার স্বাভাবিক এই ভাঙ্গা গড়ার খেলা
জানি চলবে, শত জনম জনম ধরে,
তবুও আমারা সাধারন মানুষ ,লড়াই সংগ্রাম করে বেঁচে আছি
সব কিছু ভুলে , তোমাকে নিয়ে, তোমায় আপন করে ।