আধারহীন নিশীথ কল্পের অগোচর, নিদ্রাহীন যুবা অন্ধকার আর গাঢ় হলে তার প্রিয় নিকুঞ্জবনে পায়চারী করে, এমতাবস্থায় তার সাথে এক নিশীথিনী দেবীর সাক্ষাৎ ঘটে, কিন্তু যুবা আজও তারে নিয়ে সন্দিহান, কল্পের মায়া নয়তো সে?
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১৮ ডিসেম্বর ১৯৯৭
গল্প/কবিতা: ১টি

প্রাপ্ত পয়েন্ট

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftকবিতা - আঁধার (সেপ্টেম্বর ২০১৮)

শেষ প্রহর
আঁধার

সংখ্যা

মোট ভোট

Bibak Rahman

comment ৫  favorite ১  import_contacts ২৪০
তখন নিশার শেষ প্রহর,
অন্ধকার-গাঢ় অন্ধকার।
নিশীথের অনিদ্রা রোগ বড্ড বাজে,
পাশেই নিকুঞ্জনিতান;
পায়চারী পায়চারী ভাব না ওঠে জেগে।
অত:পর রাত্রি আরো বড়ো
হলে,
বেড়িয়ে পড়বে যে কেউ নিশির মায়াজালে
কাননের পাশে কতেক বুনেদি হরতকি,
ডালপালা কটা ঝুকে ঝুকে পুকুরপাড়ে দেয় উকি,
বললে ওরা
'পুকুরচুরি, পুকুরচুরি '
তবে হোক না এবার কড়া নজরদারি।
শানবাঁধানো ঘাটে স্যাঁতসেঁতে এক সিঁড়ী,
নামতে চাওয়া একটু বাড়াবাড়ি।
শিউলিকটা পড়ে আছে ঘাটের এদিক সেদিকে,
তুলতে যেয়েই থমকে দেখি কার অবয়ব ওদিকে!

মানুষ নাকি অন্যকিছু?
সে যাই হোক
চুপিচুপি নিলেম তাহার পিছু।
ঝুমকো, বিছা আর টাপুরটুপুর নুপুরধবনি!
সাক্ষী দিল ওরা,
তা হবে বোধ হয় ;কোন মহারাণী;
কিছু একটা আড়ালে রাখিছে
জড়ায়ে আচলখানি,
শেষতম সিঁড়িটার কাছাকাছি খুব এসে,
আড়াল ভেঙে ভাসিয়ে দিল
তার ছোট্ট প্রদিপখানি।
যত দূর যায় প্রদীপ ভাসিয়া একটু ক্ষণে ক্ষণে,
তাহার দৃষ্টি কাঁপিয়া কাঁপিয়া অবাকজলপানে,
তারপর চোখ রাখতে রাখতেই
সে যে আর নেই
ডুব দেই নিতো?
নেমে গেলাম বুক ভরা জলে
কত হাতরালাম,
ডুব দিয়ে খুজলাম ;
চাঁদনী রাত,
প্রদীপখানীর নিশানা বরাবর চাঁদটা হাসছিল।
জলে ভেজা আমি আকাশপানে
তাকিয়ে,
স্নিগ্ধ চাঁদটার চোখে চোঝ রেখে বললাম,
কে ছিলে তুমি?
অবকাশে কল্পের মায়া নাকি
অপ্রকাশ্যে নিশীথিনী দেবি!

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement