বসন্তী তুমি ঠিক মেঘ হয়ে উড়ে যাও
আকাশের স্তর ঘেষে,
পথের বিক্ষিপ্ত বালুকণায়
পথ-পথিকের উত্তপ্ত দীর্ঘশ্বাস
কতটা জায়গা নিয়েছে
তোমার প্রতিটা হৃদস্পন্দনে!

বসন্তী তোমার চোখে ছলনার দিব্যি রেশ
তবে ভালোবাসা কি ছিলো,
তুমি ঠিক অন্যরকম
দেয়ালের ওপার ঠিক ভালোবাসা টের পাও নি!

বসন্তী আকাশ না হয় মাঝে মাঝে গর্জে ওঠে
মাঝে মাঝে না হয় চন্দ্র-সূর্যকে ত্যাগ করে
কখনো কখনো দেখা যায় আঁধার রাতের অমাবস্যা
তবুও আকাশ কি আলোকে ভুলে যায়,
চাইলেই কি ভুলে যাওয়া যায়
চন্দ্র ছাড়া আলোহীন এক বিধ্বস্ত কুটির বুকে নিয়ে!

বসন্তী আমিও ঠিক এর উল্টো না
গুমরে মুচরে হাঁটতে জানি
কিছুটা পথ কাঁদতে জানি
কিছুটা জল ঢাকতে জানি!

বিসর্জিত না বিশুদ্ধতায়
ত্যাগহীন চাই সংযুক্ততায়,
এর ঠিক বিপরীতে নিদ্রাহীন রাতের কোকড়ানিতে
আলোহীন এই অন্ধগলিতে
তবুও তোমায় চেয়ে বসি রোজ
চন্দ্র-তাঁরার ঠিক একপাশে!

তবুও না হয় আমি থেকে যাই অপরাজিত
তোমাকে ভালোবাসবো বলে যাই রোজ
খুঁজে যাই ঠিক না পাওয়ার উল্টো খামে,
তবুও বলে যাই রোজ প্রিয়
যেখানে ভালোবাসার নাম অপূর্ণ!