বড্ড ফিকে মনে হয় জীবনধারণ,
রংচটা কালচে হাত-ঘড়িটার মতন।
বড্ড মূল্যহীন হয়ে যায় সব আয়োজন,
ক্ষয়ে যাওয়া পায়ের জুতার মতন।
বড্ড অভিমানি তেজ মাখে স্বপ্ন,
জোড়া-তালি দেওয়া পাঞ্জাবীর মতন।
বড্ড তিক্ত মনে হয় প্রিয় গানের সুর,
মাথার ছাদের বিপরীতে ঐ আকাশের মতন।
বিবর্ণ কালচে জীবন,
তবু তো বেঁচে আছি...এক জোড়া শালিকের মতন।
বেঁচে আছি পালিত কুকুরের মতন।

নিঃশব্দে বেঁচে আছি তাঁতির সুই-সুতোতে,
বোকা পাখি হয়ে বেঁচে আছি চতুর শহরে।
তবুতো বেঁচে আছি,
পাখির ঠোঁট থেকে খাবার ছিনিয়ে খেয়ে।
বেঁচেতো আছি নোংরা ডাস্টবিনের চার দেয়ালে।
বেঁচেতো আছি শুদ্ধ নগরীর বিষাক্ত অভিযোগে।
বেঁচেতো আছি ঠিকই জীবনের ব্যঙ্গ দৃশ্যপটে।
এক পেয়ালা বিষের অভাবে।

তবু বেঁচে তো আছি,
শাঁকচুন্নির খাওয়া শেষে বিনষ্ট দুঃগন্ধে।
ক্লান্তিতে চেয়েছি এক গ্লাস রক্ত...
শান্তিতে দেখেছি জীবন্ত কঙ্কাল।
আর বেদনার রং পুষে আমারই প্রেতাত্মা।
তবুতো বেঁচে আছি,বুনো হাঁসের মতন।
বেঁচে আছি কদমের ডাল বেয়ে উঠা
সবজি তরকারীর মতন।