ছিমছাম নিশ্চুপ ঘন অন্ধকার
একটু একটু ভয় আর একটু একটু ভাললাগা।
এইতো ছিল বেশ নিজের মতন,
হঠাৎ কোথা থেকে এলো -রসিক আলো
করতে অন্ধকারের বস্ত্র হরন !
বেগময় আলোর স্রোতধারা একে একে
ছুঁয়ে দেয় অন্ধকারের মুখাবয়ব,পিপাসার্ত ওষ্ঠ,
আঁচড়ে দেয় অন্ধকারের নগ্ন স্তন
গভীরভাবে আলোকপাত করে
অন্ধকারের যাবতীয় গোপন লজ্জাস্থানে !
লাজুক অন্ধকারের সকল লজ্জা ভেসে যায়
উচ্ছৃঙ্খল দাপুটে আলোর স্রোতের তোরে ।
এরপর আলো ও অন্ধকারের
যাবতীয় ভালোবাসা বিনিময় শেষ হলে পরে
আলো এবার আলেয়া হয়ে মিলিয়ে যায়,
আর সর্বস্ব হারিয়ে হতবিহ্বল অন্ধকার
অপেক্ষা করে পুনরায় আলোর বান আসবে বলে !