"দাসত্ব" প্রথা সামাজিক জীবনে একটি কঠিন ব্যাধি। পূর্বেও ছিল আর বর্তমানেও রয়েছে কিন্তু অন্য ভাবে। পৃথিবীতে দাসত্ব প্রথার ইতিহাস বহু প্রাচীনকাল থেকেই বিদ্যমান। সাধারণ ভাবে দাসত্ব বলতে বোঝায় নারী, পুরুষ, কিংবা অল্প বয়সী বাচ্চাদের জোর করে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে অমানুষিক পরিশ্রম করতে বাধ্য করা। বহু পূর্বে এদের "পণ্য" হিসেবে ব্যবহার করা হতো। শুধু তাই নয়, তাদেরকে নিয়ে বাজারে কেনা-বেচাও চলতো রীতিমত দর দাম করে।
দাসত্ব প্রথার বিরুদ্ধে সারা পৃথিবী জুড়ে বিভিন্ন সময়ে জোরদার আন্দোলন হয়েছে এবং এখনো হচ্ছে এই ভয়ঙ্কর প্রথাকে বিলুপ্তি করবার জন্য। অনেক কঠোর আইনও বলবৎ হয়েছে এই প্রথাকে পুরোপুরি বন্ধ করে দেবার জন্য। মানুষজনও অনেক বেশি সচেতন হয়েছেন। কিন্তু বর্তমানে এসব সত্বেও দাসত্ব জীবন আমাদের এই সমাজে বিরাজ করছে, অন্য ভাবে আর বিভিন্ন রূপে। বিভিন্ন রূপের মধ্যে একটি হলো এই আধুনিক সমাজে এখনও বাপ, ঠাকুর্দার ঋণের বোঝা শোধ করতে হয় বেগার খেটে তাদের উত্তরসূরীদের একেবারে ছোট বয়স থেকে।
সারা দেশ আজ আনন্দ উৎসবে প্লাবিত। চতুর্দিকে দেশাত্মবোধক গান। দেশের জনসাধারন বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আজকের দিনটিকে স্মরণ করছেন। অনেক রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে এই দিনটিতে দেশ স্বাধীনতা লাভ করেছিল। পরাধীন দেশের মানুষজনেরা সবাই মনে প্রানে চেয়েছিলেন দেশের সমস্ত লোক পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীন দেশে স্বাধীন ভাবে ঠিকমত যাতে থাকতে পারেন। পুরুষই হোক কিংবা মহিলাই হোক তাঁরা যেন নিজ নিজ অধিকার নিয়ে নিশ্চিন্তে ভয়-ডর হীন ভাবে এই সমাজে বাস করতে পারেন। সুন্দর এই আনন্দের দিনটিতে তবুও কোথায় যেন এক অদৃশ্য বিষাদের সুর।
আজকের গল্পটি সেই রকমই আমাদের বর্তমান সমাজে এক আধুনিক দাসত্ব প্রথার ঘটনাকে কেন্দ্র করে।
শহরের কেন্দ্রবিন্দুতে এক রেলওয়ে স্টেশনের চত্বর জুড়ে হাজার রকমের দোকানপাট, বাজারহাট, কোর্ট-কাছারি, স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল আর তার ফলে প্রচুর লোকের জনসমাগম। এককথায় একেবারে জমজমাট এই স্টেশন এলাকাটি। স্টেশন চত্বর লাগোয়া বহু বছরের পুরনো এই হোটেলটি। হোটেলের সাইনবোর্ডে বড় বড় করে লেখা--
"৭০ বছর ধরে জনগনের সেবায়
রাখালদার গ্র্যান্ড হোটেল
সুস্বাদু খাবার পরিবেশনার একমাত্র বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান।"
ভোর পাঁচটার মধ্যে চা, ব্রেকফাস্ট দিয়ে শুরু হয়ে রাত প্রায় বারোটা অবধি রাতের খাবার পরিবেশন করে খরিদ্দার সামলাতে হয়। তারপর বাসন-কোসন, চেয়ার-টেবিল পরিষ্কার করে হোটেলটি বন্ধ হতে রাত প্রায় একটা বেজে যায়। সারাটা দিন অমানুষিক পরিশ্রম করে আর হোটেল মালিকের গালিগালাজ শুনে হোটেলে কাজ করা অল্প বয়সের ছোটছোট ছেলেগুলো এরপরে কিছুটা বিশ্রাম বা ঘুমোনোর সময় পায় হোটেলের টেবিলে বা বেঞ্চিতে।
এছাড়া গ্রামেগঞ্জেও বিভিন্ন ছোটখাট কলকারখানায়, ইটভাটায় কিংবা অন্যত্র একিই রকম দৃশ্য প্রত্যক্ষ করা যায়। শিশু দাসত্বের প্রধান কারণ হলো শিক্ষার সংকোচন, দারিদ্র, বৈষম্য এবং প্রান্তিকতা।
সকাল ১০টা। হোটেলের ভিতরে প্রচুর খদ্দের। হোটেলের মালিক একটা উঁচু চেয়ারে বসে খদ্দের আপ্যায়নে ব্যস্ত। কর্কশ গলায় চিৎকার করে বললেন-- এই মন্টু, তুই টিভির দিকে তাকিয়ে কি দেখছিস ? ওটা তোদের দেখবার জন্য নয়। টিভিটা দেওয়ালে লাগানো হয়েছে খদ্দেরদের দেখবার জন্য। কাজ না করে টিভির দিকে তাকানো, তোকে দেখছি কয়েকটা থাপ্পর না মারলে তোর শিক্ষা হবে না। মন দিয়ে শোন-- একনম্বর টেবিলে চারটে লিকার চা আর আট পিস ব্রেড অমলেট, তিন নম্বরে দু প্লেট ঘুঘনি আর চার নম্বরে দুটো মাছের মিল। নে, নে তাড়াতাড়ি কর। এত ঢিমে তালে কাজ করলে চলবে ? বেলা বাড়লে আরো খরিদ্দারের ভিড় বাড়তে থাকবে। অল্প বয়সের মন্টু সকালবেলায় মালিকের ধমক খেয়ে কিছু না বুঝে আবার তার নিজের কাজে মন দিল।
মন্টুর বাবা অখিল ছিলেন এই হোটেলের একজন কর্মী। অত্যন্ত সৎ, কর্মঠ আর পরিশ্রমী। উদয়অস্থ পরিশ্রম করতেন এই হোটেলের কাজে। দুবেলা আধপেটা খাবার আর মাসের শেষে হাতে পেতেন সামান্য কয়েকটা টাকা। একান্ত নিরুপায় হয়ে এই হোটেলে কাজ করে খুব কষ্ট করেই সংসারটাকে টেনে নিয়ে যাবার চেষ্টা করতেন। পরিশ্রম অনুপাতে মাসের মাহিনা ছিল অতি নগন্য। নিজে যেহেতু লেখাপড়া করবার সুযোগ পান নি, সেইজন্য মনে মনে স্বপ্ন দেখতেন তাঁর একমাত্র ছেলেটা যাতে ভালভাবে পড়াশুনা শিখে জীবনে সুপ্রতিষ্ঠিত হতে পারে। কিন্তু স্বপ্ন তাঁর স্বপ্নই থেকে গেলো। এজীবনে সেই আশা তাঁর আর বোধহয় পূরন হলো না।
একটা সময় স্ত্রীর এক কঠিন অসুখে চিকিৎসার জন্য নিরুপায় হয়ে মালিকের থেকে বেশ কিছু টাকা ধার করেছিলেন। এমনই দুর্ভাগ্য, কাজ করে টাকাটা শোধ দেবার আগেই এক ভয়ংকর পথ দুর্ঘটনায় শরীর থেকে দুটো পা বাদ দিতে হলো। অবশেষে আর কাজ না করতে পারার দরুন ধারের টাকাটা না দিতে পেরে মালিকের চাপে পরে ছোট আদরের ছেলেটাকে বাধ্য হয়ে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন মালিকের হোটেলে গতরে খেটে তাঁর ধার করা টাকাটা সুদে, আসলে শোধ করে দেবার জন্য। ছেলেকে ভালভাবে পড়াশুনার করাবার বাসনাটা তাঁর আর পূর্ণ হোলনা। যে সময় ছোট ছেলেরা খেলাধুলা করে, স্কুলে যায় পড়াশুনা শিখবার জন্য সেই সময় অখিলের ছোট ছেলে মন্টুকে যেতে হচ্ছে বেগার খেটে হোটেলের কাজ করতে তার বাবার ঋণ করা টাকাটা শোধ করবার জন্য।
বাবার ধার করা টাকা শোধ করবার জন্য ছোট মন্টুকে অমানুষিক পরিশ্রম করে কাজ করতে হয়। বিনিময়ে দুবেলা আধপেটা বাসী খাবার আর হোটেলের টেবিল, বেঞ্চিতে কিছু সময়ের জন্য রাতের বিশ্রাম। আবার ভোর হোতে না হতেই শুরু হয় তার জীবন যুদ্ধ। স্বাধীনতা অর্জনের বহু বছর পরেও বর্তমান সমাজে মন্টু দাসত্ব জীবনে জড়িত রয়েছে। ভালকরে খোঁজ খবর নিলে এখনও সন্ধান মেলে বিশেষ করে শিক্ষার অভাবে কিংবা দারিদ্রতার সুযোগে মন্টুর বয়সি নাবালক ছেলেদেরতো বটেই এমনকি অনেক নাবালিকাদের দিয়েও জোর করে করানো হয় অমানুষিক পরিশ্রমের কাজ আর তার সাথে চলে শারীরিক, মানসিক নির্যাতন। শিক্ষার অভাব আর চরম অর্থ সংকট, এর দরুন এক শ্রেনীর লোকেদের ভয়ে এরা প্রতিবাদ করবার ভাষা হারিয়ে মুখ বুঝে কাজগুলি করে যায়। বর্তমানে এরাই হচ্ছে নির্যাতিত, নিপীড়িত আর আষ্টেপিষ্টে জড়িত দাসত্ব জীবনের সঙ্গে। পরিষ্কার করে বলতে গেলে স্বাধীন দেশে দাসত্বই হচ্ছে এদের জীবন।
ফিবছর দুর্গাপুজোর সময় মন্টুর বয়েসী ছেলে-মেয়েরা বাবা-মার হাত ধরে নতুন নতুন জামা পরে সুস্বাদু খাবার খেয়ে মনের আনন্দে বিভিন্ন মন্ডপে ঠাকুর দেখে বেড়ায়। মন্টুকে তখন হোটেল মালিকের ধমক খেয়ে পুরনো ছেঁড়া জামা পরে অর্ডার অনুযায়ী খাবারের থালা হাতে নিয়ে খদ্দের সামলাতে হয় অথবা কারি-কারি বাসনগুলি মাঝতে হয়। তার জীবনে আনন্দ বলে কিছু নেই। স্বাধীন দেশে তাদের জন্য আছে শুধু মালিকের গঞ্জনা আর অকারনে ক্রীতদাসের মত অত্যাচার।
হোটেলটির পাশে একটি ঘরে সপ্তাহে দুদিন করে এক সেচ্ছাসেবী সংস্থার উদ্যোগে পথ ছেলে-মেয়েদের জোগাড় করে পড়াশুনা শেখানো হয়। মন্টুর খুব ইচ্ছে করে পড়াশুনা করতে। মালিকের কাছে এই বিষয়ে ইচ্ছা প্রকাশ করলে, মালিক তাকে বোঝায় পড়াশুনা করাটা মন্টুর মত ছেলেদের জন্য নয়, তার থেকে মন দিয়ে হোটেলের কাজ কর। ধমক দিয়ে বলে-- তুই একটা কথা ভুলে যাসনা তোর বাবা কিন্তু তার ঋণ শোধ করেনি। তোকেই গতরে খেটে সেই ঋণ শোধ করতে হবে। মন্টু ছেলেমানুষ অতশত মালিকের কথা বুঝতে পারেনা। এইটুকু বুঝতে পারে এই হোটেলে অমানুষিক পরিশ্রম থেকে তার নিস্তার নেই। হয়ত তার বাবার এই ঋণ শোধ করতে তাকে আজীবন এখানে মালিকের অত্যাচারের মধ্য দিয়ে বেগার খেটে যেতে হবে। যদিও এতদিন তার বেগার খেটে পরিশ্রম করে তার বাবার ঋণ করা টাকাটা অনেক আগেই শোধ হয়ে যাবার কথা। আসলে স্বাধীনতা লাভের এতগুলি বছর পরেও পরোক্ষভাবে মন্টুর মত ছেলেরা হোটেলের মালিকের কাছে দাসত্ব জীবনে বন্দী রয়েছে।
একটা সময় সেচ্ছাসেবী সংস্থার চাপে পরে পথ ছেলে-মেয়েদের নির্ধারিত স্কুলে মন্টুও যায় পড়াশুনা শিখবার জন্য। পড়াশুনা শিখবার ক্ষেত্রে মন্টুর আগ্রহ মাস্টারদের ভাল লাগে। মাস্টাররা ছেলে-মেয়েদের পড়াশুনা শেখাবার ফাঁকে ফাঁকে শোনায় দেশ বিদেশের মহান লোকেদের জীবনের গল্প। প্রতিকূলতার মধ্যেও তাদের পড়াশুনা করবার আর অন্যায়, অত্যাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার প্রবনতার কাহিনী। শিক্ষকরা শোনায় সেই সমস্ত লোকেদের বীরত্বের কাহিনী, দেশের প্রতি আত্মত্যাগের গল্প। দেশের নিপীড়িত, নির্যাতিত মানুষজনকে একত্রিত করে অত্যাচার কিংবা নির্যাতনের বিরুদ্ধে এই সমস্ত মহান লোকেদের গর্জে ওঠার কাহিনী। পড়াশুনার পাশাপাশি এই সমস্ত অজানা কাহিনী শুনে এই ছেলে-মেয়েদের নতুন করে ভাবতে শেখায় অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করবার জন্য। তারা তাদের জীবনের জন্য নতুন করে স্বপ্ন দেখা শুরু করে।
এইরকম ভাবে একদিন তারা তাদের মাস্টারদের থেকে জানতে পারে আর এক মহান ব্যাক্তিত্বের জীবন কথা। পৃথিবীর ইতিহাসে যে কয়েকজন মানবদরদী রাষ্ট্রনায়ক মানুষের স্বাধীন ভাবে অধিকার রক্ষার্থে আন্দোলনের মাধ্যমে নিপীড়িত, নির্যাতিত মানুষদের জন্য গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করেছেন, আমেরিকার আব্রাহাম লিংকন তাঁদের মধ্যে অন্যতম একজন। মাত্র ১৯ বছর বয়সে নিউ অর্লিয়েন্সে লিংকন প্রথম দেখেন নিগ্রো শিশু, পুরুষ, নারীদের মোটা শেকল দিয়ে বেঁধে রেখে দাস হিসাবে দরদাম করে বিক্রি করা হচ্ছে। বেয়াদপি দেখলে শুনতে হচ্ছে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ আর সারা গায়ে চাবুকের ঘা। তারপর বিক্রিত ক্রীতদাসদের দিয়ে করান হচ্ছে নিষ্ঠুর অমানবিক কাজ আর দিবারাত্রি পরিশ্রম।
লিংকন এই অসহায় নারী, পুরুষ, শিশুদের উপর নির্যাতন, অত্যাচারের নির্মম দৃশ্য দেখে তিনি স্থির থাকতে পারেননি। তিনি ছিলেন দাসত্ব প্রথার ঘোরতর বিরোধী। তিনি মনে মনে সংকল্প করেছিলেন এই প্রথার বিরুদ্ধে চরম আন্দোলন করে এই প্রথাকে একেবারে নির্মূল করবেন। তারপর তাঁর নেতৃত্বে কঠিন আন্দোলনের মাধ্যমে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৮৬৩ সালের ১লা জানুয়ারীর এক সুন্দর সকালে দাসত্ব প্রথার বিলুপ্তি ঘোষণা করেন।
মাস্টারদের থেকে এই সমস্ত সত্য কাহিনী শুনে মন্টু আর তার সহপাঠীরা দাসত্ব প্রথার সঠিক মানে না বুঝলেও এইটুকু বুঝতে পারে দেশ আজ স্বাধীন। স্বাধীন দেশে সবার ঠিকমত অধিকার নিয়ে বেঁচে থাকবার কথা। অথচ আজও তারা নির্যাতিত। এখনও বেগার খেটে বাবার সামান্য ঋণ করা টাকা শোধ করতে হচ্ছে। সবার মত মন্টুও এখন বুঝতে পারে সবার প্রথমে প্রয়োজন শিক্ষা। স্বাধীন দেশে তাদের মত কিছু সংখ্যক লোককে কেন দাসত্বের জীবনে বন্দী থাকতে হবে ? দেশের সরকারের সহযোগীতায় প্রকৃত কারণ খুঁজে সবাই মিলে সম্মিলিত হয়ে এগিয়ে আসতে হবে এই দাসত্ব প্রথার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে। আশা করা যায় অবশ্যই সেই দিনটি আসবে যেদিন মন্টুদের মত দরিদ্র্য ছেলে মেয়েদের এই দাসত্ব জীবন থেকে হবে মুক্তি।
লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা
ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য
স্বাধীনতা লাভের বহুদিন পরে এখনো বর্তমান সমাজে দাসত্ব প্রথা বিরাজমান। এই প্রথাকে পুরোপুরি নির্মূল করতে দেশের সরকারের সহযোগিতায় সবাইকে সম্মিলিত ভাবে এগিয়ে আসতে হবে।
১২ আগষ্ট - ২০১৭
গল্প/কবিতা:
৪৯ টি
বিজ্ঞপ্তি
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
প্রতি মাসেই পুরস্কার
বিচারক ও পাঠকদের ভোটে সেরা ৩টি গল্প ও ৩টি কবিতা পুরস্কার পাবে।
লেখা প্রতিযোগিতায় আপনিও লিখুন
-
প্রথম পুরস্কার ১৫০০ টাকার
প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।
-
দ্বিতীয় পুরস্কার ১০০০ টাকার
প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।
-
তৃতীয় পুরস্কার সনদপত্র।
আগামী সংখ্যার বিষয়
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ এপ্রিল,২০২৫