যদি হয় অর্ধেকে নারী বাকিটায় নর
তবে দুনিয়ায় সকলেই পর।
নারী মানেই ছলনা
আবার নারী ছাড়া জীবনও চলে না ।
পুরুষ যদি হয় সন্ন্যাসি
নারী তবে কেন বৈরাগী ?
বিরহ ব্যাথায় পুরলে নর
নারী খোঁজে নুতন ঘর ।
সর্প গায়ে আঘাত দিলে
সে যেমন ধংসে বিষে
নারী মনে সুখ দিলে
ছোবল দিবে নরকে শেষে ।
যে রত্ন ছাঁইয়ে ঢাকা
পুরুষ মনের গভীরে আঁকা
বোঝেনা নারী, ভাবে ফাঁকা
ভেবে নেয় শুধু দিয়েছে ধোঁকা
আসলে সে নারীই বাঁকা
তাইতো প্রেমে দেয় ছ্যাঁকা।
জীবন মানে অঙ্গে সবি
বারে বারে বদলায় মাঝি ।
ক্ষনিক শেষে ফুরায় যখন
রূপ-মাধুরি চুষায় তখন
একেলা মনে ভাবে সারাক্ষন
নর-নারী সবাই স্বজন।
যৌবনের হাট ফুরালে পরে
মুল্যহীনে ফিরে নীড়ে ,
সে ঘরও যে বেঁধেছে নরে-
কি ভাবে নারী সমঅধিকারে
বলবে শুধু ছলে- বলে
করছে সবই আপন ভেবে।
সেরূপ নারী ক’জনা
যে জন বুঝে এই মনা,
চিনতে পারে খাঁটি সোনা,
তার তরে দেই আরাধনা।