চলাফেরা কষ্ট, মনেরও জোর কম, হাটুকাপে সারাক্ষণ
জোরে কথা কাশি আসে, হাক দিলে বুক কাপে,
সারাদিন মন থাকে অস্থির।
কি জানি কি, কি হয়! লোকে মুখে তাই কয়
ঘরের লোকের ভয় হয়
থাকেনাতো কবু সে স্থির।
দূর থেকে ছেলে আসে, মেয়ে এসে পাশে বসে
আত্মীয়রা বলে এসে, দেখেছিস?
শরীর তার খারাপ কত? মরে গেছে পা-দুটো
নারী চলে কোন রকম টিসটিস!
নাতিরা এসে বলে, নানা/দাদার কি হলে?
সবাই করো কেন ফিসফিস?
ঘরভরা লোকজন, জোর হলে কিছুক্ষণ
ভাবে সবাই কিভাবে দেয়া যায় চম্পট
অবশেষে ঘরে দেখি আমরাই দুইজন।
ঘরে বসে ক্ষণ গুনি, মৃত্যুর যম জানি এসে পরে কখন!
মনের ভিতর কত চায়, ঘুরে আসি সামনায়
নিজের লাগানো গাছের ফল বুঝি পেকে আছে
পুকুরের মাছগুলি খাবার পায়না বুঝি
ফসলগুলি যদি পারতাম গিয়ে দেখতে!
আসলে কি এগুলো সম্ভব, তুমি বল?
হবে কি কখনো তা সার্থক!
মনে তবু ভাবি হায়,
দরজার জমিটায় ডাল না হতো কত জব্বর!
যখন থাকি একা মনে পরে কত কথা
কখনোবা মনের ব্যাথা বাড়ে দুস্তর।
জীবনের শেষ বেলা ভেবে দেখি সবই খেলা
যাকিছু করলাম তা নশ^র।
আমার খবর নিতে আর, হবেনা সময় কারো অবসর।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।