লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ৪ নভেম্বর ১৯৯০
গল্প/কবিতা: ১৮টি

প্রাপ্ত পয়েন্ট

৩২

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftসরলতা (অক্টোবর ২০১২)

আবার একটি দেবদূত..
সরলতা

সংখ্যা

মোট ভোট ৩২

ধ্রুব

comment ২৩  favorite ১  import_contacts ১,০৮০
আমাদের শহরটা একদম ছোট
আকাশটা মনে হয় যেন হাতের একদম কাছে।
এখানকার মানুষেরাও প্রভুভক্ত কুকুরের মতই শহরটার চারপাশ চেটে বেড়ায়
এই ছোট গন্ডি ছেড়ে তারা বের হতে চায়না,গন্ডির বাহিরের অন্য কুকুরদের মত
আদিম যুগের এক নতুন প্রতিবিম্ব দেখি আমরা সবাই
একদিন সর্গের সিড়ি বেয়ে নেমে আসলো,সুন্দর ডানাওয়ালা দেবদূত
সে নিয়ে আসলো অনেক অনেক আলো
নতুন পৃথিবীর গান
নতুন যুগের আহবান
নতুন সময়ের ডাক
তার কন্ঠে ছিল অপূর্ব এক গান
যা কিনা ছিলো সামনে এগিয়ে যাওয়ার অকৃত্তিম অনুপ্রেরনা।
শহরের প্রতিটা প্রান্তর জুড়ে ছিল তার পদচারণা
নগর পিতার বাসস্থান থেকে শুরু করে বেশ্যালয়,
সবখানে ছড়িয়ে ছিল তার আলো
ভেদাভেদ এর সংজ্ঞা জানা ছিলো না তার।
সত্য কে গলা টিপে মারা চর্চা ছিলোনা তার,
আপনমনে আলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখতো সে।
এই শহরের অন্ধকার কীটরা একদিন জেগে উঠলো
তারা আর পারলোনা সহ্য করতে,আর পারলোনা।
তারা নিদ্রা ছেড়ে জেগে উঠলো
ছড়িয়ে দিতে লাগলো আধাঁর
সাপের মত পেঁচিয়ে ধরলো সবাইকে,শ্বাসরূদ্ধ করলো সবাইকে।
শহরের ছোট মনের মানুষেরা অন্ধকারকে একমাত্র সত্য ভেবে এগিয়ে গেল।
শহরের আলোর মশালকে অন্ধকারে ডুবিয়ে দিতে।
২দিন পর,
শহরের মাঝে তৈরি হয়েছে ফাঁসির মঞ্চ,
উপরের কাঠ থেকে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে কালো ফাঁসির দড়ি,
দেবদূতের ডানা গুলো বাঁধা হয়েছে শক্ত নাইলন দিয়ে
মঞ্ছের চারপাশে অগণিত মানুষ,যেন পুরো শহরটা এখানেই ভেঙ্গে পড়েছে।
অনেকদিন পর একটা ভালো বিনোদন এর উপলক্ষ্য পেয়েছে তারা।
জল্লাদ উঠলো মঞ্ছে,নগরপিতা বলে উঠলেন, “দেবদূতের দোষ একটাই,আমরা যা চাইনি তাই দিতে চেয়েছে…আমরা অন্ধকারে বেঁচে থেকে আমরা অন্ধকার নিয়েই গর্ব বোধ করতে চাই”
জল্লাদ ফাঁসি কার্যকর করলো,
আর চারদিক ডুবে গেল নিকষ আঁধারে।

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement