দহন সুপ্রিয় পাঠক, অন্তরের খেদগুলো ভদ্র-মানুষেরা দিনের আলোতে ভদ্রতার খোলসে ঢেকে রাখলেও, রাতের আঁধারের চাদরে তা ঢেকে রাখা অনেকের সম্ভব হয়না। তোরন তেমনি এক মানুষ । যেহেতু মাঝ-রাত বেশি কোলাহল শূন্য, তাই তোরন মাঝ-রাতকেই বেছে নিয়েছে তার মনের খেদ মদ্য পানের মধ্য দিয়ে কিছু সময়ের জন্য হলেও ভুলে থাকার জন্য, তাই সে মাঝরাতেই নিয়মিত মদ পান করে এবং এক ধরনের শান্তি অনুভব করে । বিষয়ের সাথে গল্পটির এভাবেই সামঞ্জস্যর চেষ্টা করা হয়েছে ।
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১ এপ্রিল ১৯৭১
গল্প/কবিতা: ৩৩টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftগল্প - মাঝ রাত (সেপ্টেম্বর ২০১৮)

দহন
মাঝ রাত

সংখ্যা

মোঃ মোখলেছুর রহমান

comment ৯  favorite ০  import_contacts ১৮৯
হাজার হলেও ভদ্রলোক বলে কথা,ভদ্রতার খাতিরে অনেক সময় বে-মানানকেও মানিয়ে নিতে হয়;আবার মানিয়ে নিলেও শ্লেষের আগুন পুড়তে থাকে বহুদিন,বহুবছর; এমন কি আমৃত্যু।
ফেইস বুকের সৌজন্যেই প্রথম পরিচয় রিবি ও তোরনের। প্রথম প্রথম লোল হামম ইত্যাদি, পরে হাই হ্যালো,সবশেষে তুমি থেকে বিয়ে পর্যন্ত গড়ায়; কিন্তু বিয়ের পরেই বেরোয় আসল সর্পটি।
রিবির বাবার অঢেল সম্পদ,একমাত্র কন্যা রিবি; এ তো তোরনের সোনায় সোহাগা; রিবির বাবার সম্পদের ভবিষ্যৎ অধিপতি।
বিয়েতে অমত ছিল রিবির বাবার । রিবির মায়ের ফুসলানি এবং একমাত্র মেয়ের জেদের কাছে পোষ মানে রিবির বাবা । তারপর নানা ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে সময় পানির মত বয়ে গেছে বহুদূর।
প্রতিদিনের মত আজও তোরন তাড়াহুড়ো করে অফিসে বেরোয়। অফিসের পিয়ন স্বপন বলে- স্যার সার্টের বোতাম তো আজও আনপ্যারালাল। আনপ্যারালাল শব্দের সাথে তোরনের বহুদিনের পরিচয়;কারন মাঝে মধ্যেই ঐ বস্তুটা মেলে সার্টের মধ্যে। বাসা থেকে তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে সার্টের কলারের নিচে এক বোতামের ঘরে আরেক বোতাম প্রবেশ করায় এরকম ঘটনার দুস্প্রাপ্য বস্তুটি মেলে। তোরন তখন তড়িঘড়ি পাশের বেসিন রুমে প্রবেশ করে মুখ ধোয়ার ছল করে সার্টটা ঠিকঠাক করে বেরিয়ে আসে।
এ-কাজ ও-কাজ করতে করতে কখন অফিস টাইম শেষ হয়ে যায় তোরনের; স্বপন সবকিছু গুটিয়ে বসে থাকে, কিছুই বলেনা। সে জানে স্যারকে ডিস্টার্ব করেনা কেননা স্যারকে সে চেনে,মাসের শেষে স্যার তার হাতে যে মোটা পরিমান টাকা তুলে দেয় তাতে স্বপনের বলার কিছুই থাকেনা।
তোরন একটা এন.জি.ও অফিসে চাকরি করে । তার শ্রম ও মেধায় তার উপরওয়ালা ভীষণ খুশি,খুশি অফিসের সবাই। বেতনও বেশ মোটা।
যেদিন অফিসে কাজ কম,স্বপনকে ডেকে নিয়ে মাঝে-মধ্যে গল্প করে তোরন। বাড়ির কথা, সংসারের কথা,বাবা-মার কথা;বউয়ের কথা কিছুই বাদ যায়না। বউয়ের কথা উঠলে তোরন কেমন যেন অন্যমনস্ক হয়ে পড়ে, স্বপন সেটা লক্ষ্য করে ; স্বপন কিছু বলেনা, অনেকটা লাজুক স্বভাবের সে; মাথা নিচু করে বলে- ‘স্যার এবার ঈদে আপনি যে টাকাটা আমাকে দিয়েছিলেন তা দিয়ে বাবার জন্য একটা পাঞ্জাবি,মায়ের জন্য একটা শাড়ি, এবং বাচ্চার কাপড়-চোপড় দিয়েও আমার কাছে আরও একটা ঈদ করার মতো টাকা আছে। তোরন একমনে কথাগুলো শুনতে থাকে;কখন যেন ভিঁজে আসে চোখের পাতা চশমার নিচে স্বপন তা আঁচ করতে পারে।
তোরন সামান্য ঠোঁট বাঁকিয়ে হাসে, তোমার আব্বা-আম্মা ভাল আছে তো ? জি স্যার, স্বপন উত্তর দেয়।
ছোট্ট একটা মফঃস্বল শহরে থাকে তোরন,গিন্নি আর দুই ছেলে মেয়ে। গিন্নি কি যেন একটা সভা-সমিতি নিয়ে প্রায়ই ব্যস্ত থাকে।
তিন ভাই বোনের সবার বড় তোরন। ভিটে ছাড়া জমি-জিরেত কিছু নেই। তোরন ছিল অসাধারন মেধাবী , তাই অনেক কষ্ট করে হলেও ছেলেকে লেখাপড়া শিখিয়েছেন বাবা।
তোরনের বিয়েতে মায়ের অমত ছিল; কিন্তু বাবার বরাবরই মত ছিল। রিবির বিয়ের সময় শুধু দুইদিন তোরনদের বাসায় থেকেছিল,আর কখনও পা দেয়নি এ বাড়িতে; তখন থেকে এই শহরে। তোরন স্ত্রৈণ নয়,তবুও বশীভূত; তোরন জানেনা কিসের মোহে।
বাবা মা-কে খুব দেখতে ইচ্ছে করত তোরনের কিন্তু বউকে বলতে সাহস পেতনা। ভয়টা যে কোথায় তোরন তাও জানেনা। কদাচিৎ কথাটা স্ত্রীকে বললে কথাচ্ছলে পাশ কাটিয়ে দিত বউ; তখন আর কোন যুক্তি খাড়া করতে পারেনা তোরন।
আজ কদিন হল বাবা মা-কে ভীষণ দেখতে ইচ্ছে করছে;কথাটা কিভাবে যে বলবে বউকে ভাবছে তোরন ,মনে মনে খানকিটা মহড়া দেয়।
ওগো শুনছো।
মাথার চুলে কাকই চালাতে চালাতে কাছে আসে রিবি।
চিল্লাচ্ছ কেন ?
খানিকটা ঝাঝলো সুর। উত্তরটা শুনে তোরনের কথা থমকে যায়;তবুও মিহি স্বরে বেরোয়-
শুনলাম বাবার অসুখটা বেড়েছে।
তা আমরা ডাক্তার নাকি? আমার একটা বিশেষ সভা আছে-
ভ্যানিটি ব্যাগ ঘাড়ে তুলে তারপর চটপট বেড়িয়ে পড়ে রিবি।
তোরন অফিসে এসে ছুটির আবেদন দেয়। অফিস থেকে গ্রামের বাসা চার ঘন্টার পথ, সে বেরিয়ে পড়ে। দু-টোর দিকে বাড়ি পৌছে;বাবা মা দেখে তো অবাক।
হ্যাঁ, তোমার অসুখের খবরটা........
না, তেমন সমন্যা নয়; তা বৌমাকে নিয়ে এলি না?
তোমার বৌমাকে না বলে এসেছি।
বাবার চোখ এক মুহুর্ত ছলছল করে উঠে,কিছুটা ধরা গলায় বলে কাজটা ভাল করিসনি। বৌমার শরীর ভাল তো ? ইত্যাদি নানা বিষয়ে খোঁজ খবর নেয়। যথা সম্ভব উত্তর দেয় তোরন। এটা ওটা নানা বিষয়ে আলোচনার পর বাবা হাতে কিছু টাকা গুঁজে দিয়ে বিদায় নেয়,মা দেউরিতে এসে পথের দিকে চেয়ে থাকে। বাসায় ফিরতে রাত ১০টা বেজে যায় অথচ রিবি তখনও ফেরেনি;যদিও রিবির এখনও না ফেরাটা তার হাড় চিবুচ্ছে তবুও তোরনের মনে কি যেন একটা প্রশান্তি কাজ করছে আজ। কথাটা অনেকবার বলেছে রিবিকে-‘দেখো তোমরা হলে মেয়ে মানুষ....’ কথাটা শেষ না হতেই রিবি ঝাঝিয়ে উঠে বলেছে-‘মেয়েরা কি মানুষ নয়? তাদের সাধ আহলাদ বলতে কি কিছুই নেই?’ দিন যত যাচ্ছে রিবির বেপরোয়ার তোড়টা ততই বেড়েই চলেছে। নাঃ ! তোরন আর ভাবতে পারছেনা।
রিবি ফেরে সাড়ে ১০টায়, পোষাক চেঞ্জ করতে করতে বলে-
উঃ যা গরম পড়েছে।
তারপর তোরনের দিকে তাকিয়ে বলে-
কখন এলে?
এই তো কিছুক্ষণ।
আজও তোরন রিবিকে বুঝাতে চেষ্টা করে-
দেখো রিবি,মেয়ে মানুষের এত রাতে বাইরে থাকা ঠিক নয়।
পুরুষেরা পারলে মেয়েরা পারবে না কেন? নাকি মেয়েরা মানুষ নয়।
না সে কথা নয়; জানো তো মেয়েদের কিছু কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

কোন্ সীমাবদ্ধতার কথা বলছ? যে সীমাবদ্ধতার কথা বলছ তা তো পুরুষরাই তৈরী করেছে। নিরাপত্তার কথা বলবে, সেটা পুরুষ দ্বারাই লঙ্গিত হয়,কোন মেয়ে দ্বারা নয়।
না আমি সেটাও বলছি না।
তুমি যা বলবে সেটা আমি আগেই বুঝে গেছি আর বলতে হবেনা।
তোরন জানে যে বুঝতে চায় শুধু তাকেই বুঝানো যায় কিন্তু যে কিছুই বুঝতে চায়না তাকে কোন ক্রমেই বুঝান যায়না। কিছুক্ষন দুজনেই নীরব,তোরনই শুরু করে-
সেবারের ট্রেন জার্নির কথা তোমার মনে থাকার কথা রিবি,লোকে-লোকারন্য। কথায় বলেনা- ‘যেখানে বাঘের ভয়,সেখানে রাত হয়,’ তোমার প্রচন্ড বাথরুম চেপে বসে কিন্তু বাথরুমের যা অবস্থা বসা তো দুরের কথা দাড়ানোই মুশকিল। তুমি ফিরে এলে অথচ পুরুষরা দাড়িয়ে দিব্যি প্রয়োজন সারছে। পরেরটুকু তো তুমি জানই কি অবস্থা হল তোমার। কাপড় নষ্ট করে বাসায় ফিরলে।আচ্ছা বলতো সেদিন তুমি কাপড় নষ্ট করেছিলে কেন? আর সব পুরুষের মতো পারলে না কেন? শুনো রিবি নারীরা সব পারবে কিন্তু তাদের নিজনিজ অবস্থান থেকে। পুরুষরা অন্তরায় নয় নারীদের; নারীদের দৈহিক কাঠামোই তাদের অন্তরায়। আর পুরুষেরা যেটুকু অন্তরায় তৈরী করে তার বিরুদ্ধেসবার রুখে দাড়াতে উচিৎ।
রিবি আমতা আমতা করতে থাকে।
তোরন তখনও ঘুমায়নি,শুধু এপাশ ওপাশ করছে অথচ পাশেই রিবি দিব্যি ফোঁসফোঁস শব্দে ঘুমুচ্ছে। অতীতের কত কথাইনা মনে পড়ছে তোরনের। রিবির পুরুষ বন্ধুর অভাব ছিলনা; তাদের সাথে ঢলাঢলি, রাতে ফেরা কি বিচ্ছিরি না লাগত; না আর ভাবতে পারছেনা। আস্তে আস্তে উঠে হ্যান্ড ব্যাগ থেকে শিশিটা বের করে, তারপর সোজা ঢেলে দেয় গলায়,বুকটা চেপে ধরে ধরাস শুয়ে পড়ে রিবির পাশে। সকালে রিবির ডাকে ধরফর করে উঠে,ততক্ষনে ন’টা বেজে গেছে; তাড়াহুড়ো করে অফিসে ছুট,এইতো গত দশ বছরের রুটিন।
সময়ের খেয়েদেয়ে কাজ নেই শুধু চলা আর চলা.........!
তোরনের সময়ও বয়ে চলছে তেমনি।
আজ সকাল থেকেই মেঘটার গুমট ভাব,কখন যেন চুরমার করে ভেঙে পড়বে,ভাসিয়ে নিয়ে যাবে বাইরের সব কোলাহল যে কোন মহুর্তে; বাইরের আকাশটা থেকে রিবির মনের আকাশটাই আরও গুমট বেঁধে আছে;যেন এক্ষুনি ঢল নামবে, সব কিছু ভাসিয়ে নিয়ে যাবে।
খাবার টেবিল থেকে উঠতেই বৃষ্টি শুরু হল রিবির।
মহাশয়ের আজকাল ঘনঘন কোথায় যাওয়া হচ্ছে?
তোরন হা করে চেয়ে থাকে।
ভাঁজা মাছটি মনে হচ্ছে উল্টিয়ে খেতে জাননা?
তোরন তখনও নীরব।
গত পরশু তোমার অফিসে গিয়েছিলাম,স্বপন যা বলল তাতে বুঝলাম তুমি প্রায়ই ছুটি কাটাও।
এতক্ষনে তোরন বিষয়টা বুঝতে পারে। তারপর বলে-
বাবার প্রেসারটা ভীষণ আপ-ডাউন করছে।
আমাকে না জানিয়ে......(ঝাঝালো গলায় বলতে থাকে) থাকো তোমার সংসার নিয়ে!
মেয়ের দিকে ইঙ্গিত করে তোরন বলে-
মেয়েটা বড় হয়েছে এখন থামো।
তারপর তোরন নীরবে অফিসে চলে যায়।
মাঝ-রাতই এখন তোরনের প্রিয় সময়;রিবি ঘুমোলেই ছাদে এসে খোলা আকাশে তারার সাথে কথা বলে,বাতাসের সাথে কথা বলে; আঁধারের সাথে কথা বলে। বিজলীর তারগুলো কেমন শুয়ে আছে আরাম কেদারার মতো পিঠ বাঁকা করে; বাতিগুলো হিমের ছোঁয়ায় কেমন অস্পষ্ট চেয়ে আছে যেন অনেক দিনের চেনা। হৃদয়ের সাথে সব যেন একাকার হয়ে যায়। তার এ মধ্যবয়োসী মাঝ-রাতই তার পরম বন্ধু।তার জীবনের সব আঁধার ঘনীভুত হয়ে মিশে যায় মাঝ রাতের আঁধারের সাথে। কেউ দেখার নেই, বলার নেই,কওয়ার নেই; ইচ্ছে মতো হাসা যায়,কাঁদা যায়,আঁধার মুড়িয়ে ঘুমিয়ে থাকা যায়। ঘুমুচ্ছে তো দশ দশটি বছর ধরে, তবুও তৃপ্তি নেই,চাওয়া নেই, পাওয়া নেই; কোথাও কিচ্ছু নেই। মনের গভীরে শুধু এক হতাশা; হতাশাকে রাতের চাদরে মুড়িয়ে বয়ে চলেছে নিরন্তর।
আস্তিকতার একটা বড় সুবিধে যে,জীবনের সাত রং মিলে একাকার হয়ে যখন কালো রং ধারন করে ; অন্ধকার হয়ে আসে পট-পটভুমি;তুলির আঁচড় হারিয়ে ফেলে সমূহ সৌন্দর্য, জীবনের সব পথ হয়ে পড়ে অদ্ভুদ-অচেনা; তখন অদৃষ্টের কাঁধে ভর করে প্রভু তোমারি চরণে......! তোরন তার চাওয়া পাওয়া লাগাম ছেড়ে দেয় অদৃষ্টের হাতে।
রিবি কোনদিন তোরনের মনের অবস্থা জানতে চায়নি,জানতে চেষ্টাও করেনি; কী অসহ্য দহন বুকের ভেতর তোরনের। তোরন তো কোন দিনই নেশা করতে চায়নি,কিন্তু আজ সে জানে ভদ্রতার খোলসে ঢাকা অন্ধকার তা কেবল নেশা দ্বারা ঢেকে রাখা যায,ভদ্রতা দিয়ে নয়, কুলীন সমাজে তা অচল বলে সে বেছে নিয়েছে এই মাঝ রাতকে। মাঝরাতে কুলীনের কৌলীন্য নেই,শুদ্রের শাদ্রিকতা নেই, সবাই সমান ; চলে সমান তালে।
রিবির জীবনটা চলেছে পাগলা ঘোড়ায় চড়ে দিগি¦দিক ছুটে চলার মতোই; এখানে পূর্ব মেঘের অজ¯্র ঘনঘটা; উত্তর মেঘের কোন আভাস নেই,ব্যঞ্জনা নেই, স্থায়ীত্ব নেই।
আজ সকালে তোরনের ঘুম এখনও ভাঙছে না দেখে রিবি হাঁক ছাড়ে-
‘সূর্য কি আরেকটা উঠছে নাকি? অফিসে যাবেনা?’
কোন সাড়া শব্দ নেই। মেয়ে রিনিকে ডাকতে বলে নিজেও বাইরে যাবার প্রস্তুতি নেয় রিবি। রিনির চিৎকারে রিবি হতভম্ভ হয়ে দৌড়ে আসে, রিনির হাতে একটি লেভেল-হীন শিশি,তবুও রিবি চিনতে পারে শিশিটি।
হাসপাতালে নেয়া হয় তোরনকে,এ যাত্রায় রক্ষা পেয়েছে ডাক্তারের ইঙ্গিত, রিবিকে বলে দীর্ঘ দিনের মাদক সেবনে এই অবস্থা; সুষ্ঠু শশ্রুসা ও রেস্টের প্রয়োজন। তোরন যখন চোখ খোলে, দেখে- রিনি ও রিবি তার মুখের দিকে অপলক চেয়ে আছে।

advertisement

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement