ঘর সাজানো ঘরের মতো মন সাজে আর
শাড়ীর মতো পড়ে নেয়া সকল ব্যথা,
চুলের ঘ্রাণে খসে পড়ে বিলোল হাসি-
যেমন খসে কিশোর মাখা চুলের কাঁটা।

যেমন ছিলে তেমন আছ
পুরুষ মনে ঘষা কাঁচের আলো ছটা,
বর্ষা এলে বিজলী মেয়ের বসন্তপুর ঘনঘটা।
খেই হারিয়ে পুরুষ যখন দাঁড়ের মাঝি
তোমার গুণে পৌছে যাওয়ার অসাধ্যটা।

রুনুঝুনু বাজে যখন সোনার তনু
রুপো ঢেলে উদাস ঝিলে হও ষোড়ষী
ম্লান হেসে দাঁড়িয়ে থাকা চিলেকোঠায়-
মোনালিসার হও পড়শী।

পোয়াতি লাজ নিষেধ মানায় ঠোটে আঙুল
অনাবাদি হাসির বুকে শিশুর হাসি নাড়ায় লাঙুল;
উড়ন্ত সব স্বপ্ন গুলো ধরে এনে করে শাসন
কখন জানি বদলে গেছে মায়ের মতো মেয়ের আসন।

দুঃখ জয়ে অস্ত-উদয় শান্তি মাখা ছলাকলা,
খুঁজে শামুক জলের তলায় মন-সারসী
জলের দামে বিকিয়ে দেয়া ভালবাসা।