বিবর্ণ এই রাজপথে সেই কবে জন্ম নিয়েছিল একটা অসুখ; অথচ মানেনি কোন নিয়ম-নীতি, সূত্র কিংবা ঋতু উৎসব
মাঝেমাঝে চুপটি মেরে থাকি, এলিয়ে দু'হাত ভরি, তৃষ্ণা পুরাই, স্নান করি___তবুও হয় না এর সমাপ্তির উৎসব!
কতদিন ঘুম নেই দু'চোখে___নীরব আর্তনাদ ভয়ে চলে বুকে, পিঠে; সামাজিক রীতিনীতি, সাংসারিক দায়, সন্তানের চিৎকার শূন্যতার ভরণপোষণে পোষ মানে না হৃদয়ের কোন খেলাঘর; করুণ পরিস্থিতি জেনেও এ পথে পা বাড়াই, যুদ্ধ করি, কর্মেতে আহার যোগাই___!
জানি কষ্টের পরেই স্বস্থি রয়েছে___সুখের ঠিকা
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা
ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য
সুখের আরেক নাম অসুখ। জীবন মানে এই আনন্দ, এই বেদনা। কখনো সুখ আবার কখনো অসুখ নামের তীব্র বিষাদ। জীবন যতদিন আছে, সুখ দুঃখ ততদিন থাকবেই স্বাভাবিক। তবে একটা মহামারীর সময়, মহামারীর করোনা কালে বর্তমান কোভিট-১৯ নোবেল করোনা ভাইরাসের এই সমসাময়িকে তা যেন বিশাল পরিস্থিতি ধারণ করেছে। যা কষ্ট নয়, একটা অসুখ আর মৃত্যুর মিছিল____!
বাবা না খেয়ে মরতে রাজি আছে, কিন্তু সন্তানকে না খাইয়ে মারতে পারে না। একজন বাবার সামনে অনাহারে থাকা সন্তানের মতো বড় ভাইরাস পৃথিবীতে থাকতে পারে না। এই কবিতাটি সেটাকে অবলম্বন করে সমসাময়িক বাস্তবতাকে এঁকে কবিতাটি লেখা হয়েছে। মহামারী চলে, অথচ সন্তানের পেটের দায়ে সামাজিক রীতিনীতি ভংগ করে বাবা মাঠে নেমে যান একমুঠো ভাতের জন্য।
সুতরাং উক্ত দিকগুলো বিবেচনা করলে আমার কবিতাটি "কষ্ট" বিষয়ের সাথে সম্পূর্ণ মিল পাবে বলে আশা করি।
২২ ডিসেম্বর - ২০১৬
গল্প/কবিতা:
৬৯ টি
বিজ্ঞপ্তি
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।