এখনো ভীড়ের আকাশে স্বপ্ন জমে আছে কতো, স্পর্শতার দেয়ালে চাঁপা কান্না জমিয়ে রাখি ততো!
দেখো ফেরারি শ্রাবণ এখনো ক্লান্তহীন; ফের চুষে নেয় শ্রান্তির ঢল-
কখনো উতাল পাতাল ঝড়, কখনো চুরমার করে দেয় সভ্যতার পাল!

ফিরে আসেনি তবু ভোর, ফিরে আসেনি তবু উজ্জ্বল রাত-
অপেক্ষায় বাঁধি ঘর, উপেক্ষায় জমায় প্রতিশ্রুতির দেয়াল;
দেখো হারিয়ে ফেলেছি পেরিয়ে আসা সে মাঠেঘাটে দৌড়ানো, কানামাছি আর ঘুড়ি উড়ানো দিন-
হারিয়ে ফেলেছি সে বসন্তের বুকে জেগে উঠা নীলাঞ্চল হাসি
তবুও চোখের জলভোজে আটকে থাকে স্মৃতি, তবুও নীলখামে পুরনো সমাধি।

স্বপ্নের মাঝেই হঠাৎ করে স্বপ্ন তুলি, নিঃসঙ্গতার এস্টেটে বুনি বীজ;
কখনো খামখেয়ালি আবেগ, কখনো আতশবাজি বাজে কালবৈশাখী রাতের-
কিছুটা স্পর্শানুভূতি, কয়েক ফোটা নোনাজল-
কিছুটা অনুভব আর অনুযোগ চমক বাঁধে উদ্ভ্রান্ত রাতের ক্যানভাস!

জানি নীরবতার শেষে থাকতে পারে কোলাহলময় কোন মাঠ
জানি বিষাদের শেষে থাকতে পারে সুখের আবাস-
না হয় পাল তুলবো অপেক্ষার রৌদ্রতাল;
মেঘ শেষে, বৃষ্টি শেষে আসবে একদিন সে কাল
তবেই যদি ফুটে বাসন্তী ফুল, তবেই যদি পাওয়া যায় শ্যাঁওলার ভিতরে সোনার খনি-
তবে এই কৌশোর বয়সে থাকুক না অভাবের সংসার, থাকুক না দূরে কিছু প্রিয় মুখ,
শূন্যতার মায়াজালে তবে থাকি না আরো কয়েকটা দিন।।