আমার "নৈঃশব্দের কান্না" কবিতাটি দৈনন্দিন জীবনে জমিয়ে তোলা বিষাদের কান্না ও বেদনাকে তুলে আনার চেষ্টা করা হয়েছে। কবিতাটি ব্যাখ্যা করলে বিষয়ের সাথে সামঞ্জস্যতা পাবে বলে আশা করি।।
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১২ মার্চ ১৯৯৭
গল্প/কবিতা: ৪৬টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftকবিতা - কষ্ট (জানুয়ারী ২০১৯)

নৈঃশব্দের কান্না
কষ্ট

সংখ্যা

মোঃ নুরেআলম সিদ্দিকী

comment ৬  favorite ০  import_contacts ২২৬
একটু কান্না ঠেকাই। একটা নৈঃশব্দের ঘরে। একটু হাসি চমকে উঠে , উত্তাল মেঘের শহরে।
কিছু ভুল থমকে দাঁড়ায়। কিছু হিসেব গুণি আঙুলের ঘিরেই। বৃষ্টি ভেজা মন। গাঢ় কুয়াশা পৃথিবী, তাকিয়ে থাকি অবাক চোখে।

ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়ে সন্ধ্যা। দীপ্ত জ্যোৎস্নায় টুপটুপ বৃষ্টি। স্নেহ-মায়া ধূলোর মত উড়ে, বুকে সমুদ্রের উচ্ছ্বাস। হঠাৎ জলসীমা পেরিয়ে যায়। হঠাৎ আবার তৃষ্ণার্ত বালুকা। তীর্যক পাহাড় অন্ধকার হয়ে যায় তীব্র ঘৃণা!

কিছু কথা প্রচ্ছেদ আঁকে। কিছু আবার থিয়েটারে। কিছু আবার চোখের কাজলে আড়মোড়া দেয়, স্মৃতির জল তরঙ্গ যেমন করে বিষাদ তুলে আনে।
অবহেলায় রক্তাক্ত হই। অবহেলায় নিলামে তুলি ঘুমিয়ে থাকা সমুদ্র ঝড়। আতংকিত হই, মেঘ জমায়, এক এক করে নৈঃশব্দের কান্না!
গাঢ় কুয়াশাছন্ন নির্ঘুম রাতে, খোঁজে নেয় পিচ ঢালা পথ! স্তব্ধতায় হামাগুড়ি দেয় বিষণ্ণতার আঁধার।
যমদূতের মুখোমুখি দাঁড়ায়। পরাজিত হই। ইচ্ছের শহরে ভিন্ন রকম মেঘ, ভিন্ন রকম সুর!
আহা, কি আশ্চর্য! দুচোখও আজ লুকাতে শিখে গেছে বিষাদের শহরের ফোঁটা ফোঁটা বৃষ্টিজল!!

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement