এমনই মধ্যরাতে শহরের প্রতিটি কোণে বেরিয়ে পড়ে একদল যাযাবর;
অভাগীর মর্মভেদী আঙ্গিনায় হাত বাড়ায় শকুনীর চোখে
অভঙ্গার বারুদ ছুড়ে দেয় নগ্ন দেহে অবাঞ্ছিত,
নোনতা জল চেয়ে চুসে নেয় সবটুকু উপাখ্যান।
কৌশলের ফাঁদে ফেলে চেপে ধরে রসালো ঠোট
অন্যায়ের ফুলসয্যায় কামনার ঝড় বেড়ে দেয় দ্বিগুণ,
নষ্ট হাতে কলঙ্খের চুন হরদম।
বালিয়াড়ির ঢেউ শঙ্খচিলের বুকে দেয় লিখে
বুকের করিডোরে বেধে দেয় আবর্জনার স্তুপ,
আকাশের নীল মেঘ নেমে যায় পাঁজরে
দুরন্ত হরিণের ক্ষিপ্রতা নেই সমালোচনার মুখে!
শত্রুর দাবানলে পুড়ে যায় প্রেম- প্রণয়
বিসুভিয়াসের লাভা যোগ হয় তৃপ্তির ঢেঁকুরে,
ঘোমটা পড়া রোদ ছুঁয়ে যায় মেঘ ঢাকা প্রচ্ছন্ন দহনে।
বুকের কপাট খুলে তারা যতি চিহ্নের দাগ টানে পুরো শহর
নিদারুণ অষ্টপ্রহর এঁকে দেয় অন্যের সর্বভুক স্বপ্নের লিপ্যন্তরে,
শর্বরী মেঘ জুড়ে যায় অর্থহীন মরীচিকায়;
এভাবে মুখোশের আড়ালে নির্মল পাপ
আর ঘর্মাক্ত আঁধারে ঠুকে ঠুকে পেরেক মারে নিñিদ্র উঠোন।
অতঃপর করুণ চিৎকার আর ক্লেদাক্ত চোখের নোনাজল
কিংবা নিঃসঙ্গতার বিভ্রমে জ্বলে উঠা লেলিহান;
তবুও চাপা কষ্টের পাথর নিয়ে জাগে দগ্ধ শরীর।
অবশেষে সুখানুভূতির অরণ্য বিলীন, শুধু আগুনের আভায় বন্দী দীর্ঘকাল
অথচ আজও আমি দাড়িয়ে দেখি নির্লজ্জ বেহায়ার মত সমাজের রক্তাক্ত স্পন্দন।