শূন্য অঙ্গন, ভেজানো বহির্দ্বার -মানুষের বার্তা তো দিল না!
তবু আমি তাকিয়ে ছিলাম,
দূর পথের দিকে যদি ফিরে আসে কৃষ্ণ কলম্কিনী,

সেই কবে গিয়েছিলো তীর্থের পথে।
দিয়েছিলো কথা ফিরিবে হেতা, আমার এ ছোট ঘর,
সেই থেকে আমি প্রতিক্ষায় থাকে।
কাটিয়েছি শতবছর,

সেতো আমার কৃষ্ণ কলম্কিনী,
যদি আমাদের যুগল - মিলনে ফুটিয়া ওঠে তার মুখ পানে।
আমি প্রকৃতি হয়ে মিসে যাবো ঐ বাতাসে,
মিসে যাবো তার অঙ্গে যতন করে।

সেই চলে গেছে তীর্থের পথে, আমার কৃষ্ণ কলম্কিনী,
এতো দিন যারে রেখেছিলাম মনে,
সে কি তবে করেছে দেহত্যাগ?
ছেড়েছে ধরনীর মায়া!

ধুর বালাই, ষট্ একি ভাবে মন,
দক্ষিনা বাতাসে কার কন্ঠ ভেসে আসে,
এ'যে আমার কৃষ্ণ কলম্কিনী।

ধরেছে গান,
সেই সুর হায় মন ছুয়ে যায়!
"লোকে কয় আমি কৃষ্ণ কলম্কিনী
সখি সেই গরবে গরবিনী গো,
আমি গরবিনী "
আমার কৃষ্ণ কলম্কিনী।