বিশ্ববাসী তাকিয়ে দেখে, আমার সবুজ বাংলাকে
শ্বাস নিই মুক্ত মনে, স্বচ্ছ জল নদীর বাঁকে।
সরষে ক্ষেতের হলুদ আভা, আমার নয়ন জুড়ায়
ঘাসের ডগায় শিশির কণা, মাখি আপন পায়।
তরুন মনের কত কথা বাংলা মাকে নিয়ে -
করেছি জয় স্বাধীনতা লক্ষ প্রাণ দিয়ে।
রাক্ষসের দল খাচ্ছে চুষে সেই বাংলার পতাকা
জাবর কাটা প্রাণীর হাতে বন্দি অর্থনীতির চাকা।
কাজের কাজী সেজে ভণ্ড, ক্ষমতার চেয়ারে বসে
রক্ষক-ভক্ষক মিলেমিশে নীতির হিসাব কষে।
ঘুমপাড়ানি গানের সুরে আমজনতা ঘুমায় সুখে
ষড়যন্ত্রের কালো থাবায়, রক্ত ঝরে বাংলার বুকে।
খোদাই করা শ্বেতপাথরে উন্নয়নের জোয়ার ভাসে
রঙ্গিন স্বপ্ন, মিথ্যা বুলি, বাংলা মা মুচকি হাসে।
অন্যায়-অবিচারে জর্জরিত স্বাধীনতার মূল বাণী
পরগাছা আজ বাংলা মা, টানছে ঋণের ঘানী।
রাজপথে ঝরছে রক্ত, জ্বলছে আগুন মনে-
ধীরগতিতে জাগছে দেশ, রক্ত দিব আরো রণে।
রাত ফুরলেই ভোরের আলো, গাইব জয়ের গান
নিদ্রাভঙ্গ হলে বাংলার, অপশক্তিরা সাবধান।
পালিয়েছে কত মহারাজ-মহারথী, ইতিহাসে আছে লেখা
তপ্ত চোখ, মুখে দেশপ্রেম যায় না তাঁদের দেখা।
যাত্রা হোক শুরু শান্তির পথে, নতুন স্বাধীনতার
কণ্ঠে কণ্ঠে বাজবে গান, মুক্তি মানবতার।

পাদটীকা: কবিতাটির আলাদা বৈশিষ্ট্য হল প্রতিটি লাইনের প্রথম অক্ষর গুলি মিলিয়ে হবে " বিশ্বাসঘাতক,
রাজাকার, ঘুষখোর , অপরাধীরা নিপাত যাক । "