ভয় পাওয়া মানবের শাশ্বত এক ব্যাপার, কারন আমাদের স্নায়ুতন্ত্রের (Sympathetic Vervous Systems) কারনে যাহা হয় বলা যায় এক ধরনের ধনাত্মক আবেগের/ ঋণাত্মক আবেগের প্রতিফলনে যা হয়। যেমন, পরিক্ষার ভয়, চাকুরীর সাক্ষাৎকারের ভয় আসলে এই ভয় খারপ কিছুই নয় বরং পরীক্ষা ও সাক্ষাৎকারের প্রস্ততি ভাল হয়। আবার মৃত্যু ভয় যাহা সবার মাঝেই কম বা বেশি হয় যা এড়ানোর কিছু নয়। তবে সবকিছু যৌক্তিক ও বৈজ্ঞানিক বর্ণনায় লেখা আমার এই কবিতা যা Based on Cognitive Psychology তবে গাঁজাখুরি কিছুই নয়। বাস্তব ও বৈজ্ঞানিক ভিত্তিক আমার এই কবিতা রচনা।
-লেখার সাথে বিষয়ের সামঞ্জস্যতা ব্যাখ্যায় লেখকের বক্তব্য

লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১২ জানুয়ারী ১৯৬৩
গল্প/কবিতা: ২টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftকবিতা - ভয় (ডিসেম্বর ২০১৮)

ভয় এবং
ভয়

সংখ্যা

নুরুজ্জামান ্সরদার

comment ০  favorite ০  import_contacts ২৩
ঐ যে হেথায় পুকুর ঘাট আর আম বাগিচায়
অস্পৃশ্য জাতিও কি জানি কি দেখা যায় রোজ ঠিক এই তিন সন্ধ্যা বেলায়।
করুন স্বরে বিলাপ করে হঠাৎ হাওয়ায় যায় মিলিয়ে আবার হাসে খিলখিলিয়ে,
নাকি স্বরে এক সুর মিলিয়ে ভয় পেয়ে সবাই দেয় দরজায় খিল লাগিয়ে।
অনেক সময় গভীর রাতে আমাবস্যার ঘন কালোতে কে যেন হাটে ঘরের চালে
উঠে ঝড় বয়ে যায় তার ইচ্ছামতে।
পাশের গ্রামের চান মিয়া ঝাড়ফুঁকে যার নেই তুলনা ভুত তাড়াবে সে ঝাড়ু নিয়া।
তাই আসিল সে এক সন্ধ্যাবেলা ঝাড়ু ধুপ আর আতর বাতি নিয়া সবাই আছে তাই
মনে উত্তেজনা নিয়া উঝা যে এসেছে সেই চান মিয়া !
যেই কথা তার সেই কাজ দেখবে সেই ভূতরে আজ কত বড় তার ক্ষমতার রাজ।
অন্ধকারে উঝা চলে তার সাথে তার সহকারীর বলে তবে হাতে হ্যারিকেন আর
সাহস ধিলে ফিরে আসে জ্ঞান হারালে ।
জ্ঞান ফিরলে আর জিজ্ঞাসিলে পড়িমরি করে যায় পালিয়ে, সবাই বলে সে
মামদো ভুত বলে যা তা ভুত নয় সে ভুতের রাজা তাহলে।
গ্রামের মেয়ে অহনা রুপে গুনে সে সতত অন্যন্যা ঝিয়ের কাজ না করলে
যার কপালে ভাত মিলেনা তাই সে কাজে যেতে সকাল সন্ধ্যা মানে না।
একদিন রাতের সন্ধাবেলা ঘরে ফিরিতেছিল তার সাথে তব কেউ ছিলনা
তবে তার মনে কুনো ভয় ছিলনা, মন আচ্ছন্নও ছিল তার শিশু বাচ্চা
নিয়া তারে না দেখে হয়ত কাঁদিছে তার সুনা মনা ।
শিশু বাচ্চাকে তার অসুস্থও রেখে কাজে যেতে হয় তার রোজ বুখা থেকে,
তার বুখাতে কি আসে যায় বাচ্চা যে তার জ্বরে মরে যায়।
আজ তার সুনা মনা অসুধ খাবে সুস্থও হলে তার সাথে খেলবে মিলে তাই
চলিছে সে আনন্দ ধিলে।
হঠাৎ সে যেন কেনও থমকে দাঁড়ালো পায়ের শব্দে জ্ঞান হারালও অচেতন
দেহ তার অন্ধকারে লুটালো শিশু বাচ্চার তার কি জানি কি হলও ।
জ্ঞান ফিরিল তার গভীর রাতে আম গাছের ঐ পুকুর ঘাটে শুয়ে আছে সে
ভুতলে সুনা মনা ডাকছে যেন তার মা মা বলে...।
নিথর দেহ রক্তাক্ত নিন্মাঙ্গ হায়েনার থাবায় সে ক্ষত বিক্ষত গুপন অঙ্গে
অতিরিক্ত রক্ত ক্ষরনে চলে গেলো অতৃপ্ত মনে হয়ত শিশু বাচ্চা তার
আছে যেখানে।

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

    advertisement