রাত্রি দ্বি-প্রহর। ডেকে ডেকে ঝিঝিরা ক্লান্ত।
থেকে থেকে থেমে যাচ্ছে সময়ও, যা প্রচন্ড শীত। যতদূর অনুভব হয় কেবলই নিস্তব্ধ।
এসময়েই প্রচণ্ড আবেগ অবশ করে ফেলছে সব। ঠান্ডা হাওয়ায় কেঁপে কেঁপে ওঠে দৈববাণী,
এক কাপ স্পর্শ পেলে বাঁচা যেত এবারের মত।

পাড়ার মোড়ের যে দোকানটা খোলা থাকে সারারাত,
টিমটিম করে একটা বাতি জ্বলে শীত কি বর্ষায়, ছেলে-ছোকরারা নেশার চোটে রাত-বিরাতে গিয়ে সিগারেট খোঁজে, চা চায়।
সেটিও বন্ধ আজ।

স্কুল মাঠে যে খেঁকি-কুত্তা গুলো কুচকাওয়াজ করে,
কখনো কখনো গলফ খেলে আর অন্য পক্ষকে দেখলে যুদ্ধের বাদ্য বাজায়,
তারাও বড় শান্ত!

পাশের বাড়ির বছর যে দুইয়েকের বাচ্চাটা রাত্রিবেলা জামা-কাপড় ভিজিয়ে
হঠাৎ হঠাৎ সাইরেন বাজিয়ে পাড়া মাথায় তোলে সেও যেন ভদ্রতার ডিগ্রী পেয়েছে আজই !!

নি:সঙ্গতার কি বিশাল সমুদ্রে ঢাকা এ সাম্রাজ্য!
এখানে কেউ স্পর্শ নিয়ে বসে থাকে না,
কেউ ডেকে বলে না ঘুমোওনি এখনো?