“আমারও আছে অন্তর, ইচ্ছা হয় মেঘের মতো উড়িআকাশে,
ইচ্ছা হয় ফুলের রেণু, ধূলিরকণা, শিশিরবিন্দুহই,
নয়তো শালিক, দোয়েল কিংবা বকের মতো উড়িবাতাসে,
নয়তো ভাসি শাপলা, শালুক, পদ্মহয়ে ঝিলের জলে।”
“আমারও অন্তর আছে, চক্ষু আছে সব দেখার,
দেখেছিলাম তিরিশ লক্ষ বছর আগে
গুরুংগুরুর অগ্নিলাভা, তারও আগে অগ্নিসাগর,
দেখেছিলাম কেমনতর জগতখানা সৃষ্টি হলো ভাগে ভাগে!
আজ এসে থমকে গেছি একটি শব্দ ‘তুমি’রমাঝে,
লক্ষবছর যা দেখেছি, কয়েক জন্ম তোমাহতেই,
তবুও তুমি রহস্য আজ‘নারী’ সেজে,
প্রবল ইচ্ছা, ক্লান্তি যা সব হারিয়ে যায় তোমার চোখেই!
রেবতি তুমি, বুকের মাঝে আগলে রাখি যখন তখন,
এরই মাঝে মৃদুস্বরে বলে যাও স্বভাব সুলভ উপরোক্ত চারটি কথা,
আমি তখন ব্যস্ত আছি উরুর দেশে, নাভি কিংবা অধঃস্তন,
তোমার মুখে মৃদুশীৎকার, নতুন আরেক ইতিহাসের এইতো শুরু!
কামনার এই জগতজুড়ে নারী-পুরুষ
আদি-অন্তে ব্রহ্মালয়ে এটাই শ্রেষ্ঠ রূপকথা!”