কাঁপা হাতে তাকিয়ে দেখি গুমোট কালো শব্দগুলো জমাট অসহায়
নির্বাক ব্যক্ততার শেকল ওদের পায়ে
কম্পমান অভিব্যক্তি বলে দেয় অথর্ব ভালোবাসার থৈ
কান পাতলে শুনতে পাবে নিঃস্বতার আয়োজন,
মুক আবেগে স্থূলতা অর্বাচীন কিছু ত নয়-
তবু সব কি কভু বলা হয়ে ওঠে?
দেখো একাকীত্বের পরশপাথরে খাদহীন সোনা কিভাবে ভেঙ্গে-চুরে যায়;
ছায়াময় প্রাণে আবেশ কি থাকে বলো?
কালের বিবর্তে যে হ্রদ শুকায়, জলের রেখা কি মিলায়?
লেখনী চিরে দেখো কখনো- কলঙ্কের নীলিমা থেকেই যায়-
ওলট-পালট আমি আয়নায় দেখি কাঁচাপাকা বার্ধক্যে সুপাঠ্য জীবনী;
কুহকের মায়া এ জীবনে ছাড়া আর হলো না।
সর্বনাশের অসম্ভব টানে উজানে ভেসে আসি যদি কখনো
দেখো হাতে শেষ চিরকুটটা তোমাতেই লেখা
এলো পংক্তির অলীক মায়াটাও তোমারি জন্য-
যতন করে পুড়িয়ো সেটা;
কিছু ক্ষণ রাখার নয়, কিছু স্মৃতি যে মোছবারই জন্য।