ঘটনাবহুল ১৫ আগস্টের সকাল বেলা রোজকার মতো অনেকেই করেছিলো হেলাফেলা। দিনটি ছিলো পবিত্র শুক্রবার তাও কেন ঘটল মর্মান্তিক হত্যাকান্ডের হাহাকার! আক্রান্ত হলো ৩২ নং রোডের ৬৭৭ নং বাড়ি যাকে ঘিরে রেখেছিলো বঙ্গসেনা অভ্যুত্থানকারীদের ট্যাংকের সারি। আক্রমণকারীরা আক্রমণ করলো শেখ মুজিবকে, যিনি তৎকালীন মহামান্য রাষ্ট্রপতি বিনা উস্কানিতে গুলিবর্ষণ করলো , এ কী সৈনিকদের ভ্রমমতি! সিড়ির ধাপে পড়ে রইল তাঁর রক্তাপ্লুত মৃতদেহ বাঙালি সৈনিকরা কীভাবে করলো তাকে এমন হায়! সাথে মারা পড়লো তার পরিবারের ছোট-বড় সকল সদস্য বাংলার ইতিহাসে তা আজো বড়ো রহস্য। যে ব্যক্তি সারা জীবন বাঙালি জাতির জন্য সংগ্রাম করে গেলেন ব্রাশফায়ারে শতছিন্ন দেহ ছাড়া আর তিনি কী পেলেন ?
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
Rashed Chowdhury
বাস্তবতার কিছু কিছু মুহূর্ত গুলা যদি ফিল্মের মতো পিছনে টেনে দেখা যাইতো .......ভালো লেগেছে আমাদের এইসময়ে ছন্দ কবিতার মানেই হয়ে উঠেছে শুধু ললনার কপালের লাল টিপের বর্ণনা। তারই মাঝে বাস্তবতার চাদরে পুরোনো দিনের সত্যি ঘটনা গুলো তুলে নিয়ে আসার জন্য ধন্যবাদ ......
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।
বিজ্ঞপ্তি
“মার্চ ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ মার্চ, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।