দৃষ্টি

রম্য রচনা সংখ্যা

সমাধিরঞ্জন
  • 0
  • 0
  • ৫৯০
আমিনাবাদ এলাকাটা ল্যখনোর মুখ্য বাজার বলে অপেক্ষাকৃত জনবহুল। হেঁটে চলাই মুশকিল, তবু কার, স্কুট্যর, টাঙ্গাওয়ালা, ঠেলাওয়ালা এমনকি সাইকেলও অবাধে চলাফেরা করে। আমি সবাইকে বাঁচিয়ে স্কুট্যর চালাই, সাইকেল আরোহী স্কুলি বাচ্চারা আমাকে কাটিয়ে এগিয়ে গিয়ে পেছন ফিরে এক গাল বিজয়ীর হাসি হাসে। মাঝে মধ্যে ভাবি আমিই কেন বোকার মতো সবাইকে রাস্তা দেব। বাকি সবাই তো ধাক্কা দিয়ে এগিয়ে যায়। এই ভাবনায় আক্রান্ত হয়ে একদিন হঠাৎ সামনে এসে পড়া এক বৃদ্ধ ভিখারিকে লাগিয়ে দিয়েছিলাম। সে পড়ে যেতে যেতে সামলে নিল। আমাকে কেউ কিছু বলার আগেই আমি তাকে ধমকে দিলাম, “দেখে চলতে পারোনা, অন্ধ কোথাকার”

দেখলাম ওর হাঁটু থেকে রক্ত ধারা গড়িয়ে পড়ছে। ও নিজে নিজেই উঠে দাঁড়াল, আমার দিকে দুই হাত জোড় করে বলল, “মাপ কিজিয়েগা বাবুজি। ম্যায়নে আপকো দেখা ন্যহি” বলে সে রাস্তায় তার ছিটকে যাওয়া যষ্টি হাতড়াতে লাগলো।

সম্বিৎ ফিরে পেলাম। অন্তর্দাহে দগ্ধ হতে হতে মনে হল, এই প্রবীণ দৃষ্টিহীন ব্যক্তিটি আমাকে তার দৃষ্টি দান করে গেল।
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

১৭ মার্চ - ২০১৬ গল্প/কবিতা: ১ টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।

প্রতি মাসেই পুরস্কার

বিচারক ও পাঠকদের ভোটে সেরা ৩টি গল্প ও ৩টি কবিতা পুরস্কার পাবে।

লেখা প্রতিযোগিতায় আপনিও লিখুন

  • প্রথম পুরস্কার ১৫০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।
  • ্বিতীয় পুরস্কার ১০০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।
  • তৃতীয় পুরস্কার সনদপত্র।

আগামী সংখ্যার বিষয়

গল্পের বিষয় "বন্ধুত্ব”
কবিতার বিষয় "শূন্যতা”
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর,২০২১