আর দুদিন পরেই বালিকা কড়া নেড়েছিল!
কড়াটির তপ্ত শ্বাস শীতল আবেগিক বালুকার
কণা ছড়িয়েছিলো দিগ্বিদিক।
নীল শার্টটার চটে যাওয়া অংশে ঘেঁষে যাওয়া শরীরের মিশে যাওয়া গন্ধ লেপ্টে আছে।
যে গন্ধে মেশা জুলাইয়ের সকালের রোদ, লালখানের ধুলো আর ঘামে ভেজা কপাল।
যে গন্ধে মেশা দুজনের আঙ্গুল, ঘষতে থাকে একে ওকে।
মাঝে মাঝে।
বারে বারে।
নষ্টালজিয়ার দীর্ঘ কাটা ফিল্মের সেই দীর্ঘশ্বাসময় ইতিহাস
আর দুটোদিন পরেই রচিত হয়েছিল।
সেই ইতিহাস ছিলো কয়েকটি বিকেল,
কয়েকটি সন্ধ্যা।
মগপুকুরের রাতের নির্জন পাড়।
যে রাতে আমিও একাত্মতায় মিশে ছিলাম ফের কিছু কথা বলা ব্যস্ত লোকগুলোর সাথে।
ওপার থেকে ভেসে এসেছিল কিছু রুদ্ধশ্বাস,
হাঁপানি রোগের টান, জড়িয়ে থাকে ভালোবাসা, অন্ধ নেশা, ছায়াজলের বিদিশা।
অকস্মাৎ পুকুরে আন্দোলন, ফিল্মের কাটা পড়া দেহ, প্রেমপত্রের সাহিত্য-
জেগে থাকে দুদিনের তরে, স্মৃতিতে নিরলস
যে দুদিন পরেই রচিত হয়েছিলো একটি দীর্ঘশ্বাসের ইতিহাস!

তুমি ভালো আছ?
ভালো আছে তোমার ইতিহাস?