সে কোন সত্য ও শান্তির লাগি,
করিছ তোমার রক্ত দান।
হারিয়ে ভর্ক্তি পাওনি মুক্তি,
বিফলে গিয়েছে আত্নদান।
তোমার সে শিক্ষা ভ্রান্ত ধীক্ষা,
বুঝিলেনা আজো কি মর্মে।
শান্তির বাণী সে দিযেছে আনি,
তারে কেন মানো না কো শরমে।
তুমি কি জাননি কভু কোনসে প্রভু,
বিশ্ব জুরে চালায় শাসন।
আকাশ,বাতাস,সাগর,পাহাড়,
সবর্ত্র যার রয়েছে আসন।
তুমে কি শুননি কভু তোমার জাতি,
অর্ধেক বিশ্বকে করেছিল জয়।
যখন সারাটি বিশ্ব ডুবেছিল পাপে,
আরব জাহান ছিল অন্ধকারময়।
মানুষ মানুষে ছিল যুদ্ধ বিগ্রহ,
ব্যভিচারে ছিলো সব সম্প্রদায়।
তখন মানুষের মুক্তি সনদ নিযে আসেন,
আরব ভুমে বিশ্বনবী(সঃ) মোস্তফায়।
তিনি মিথ্যাকে হারিয়ে সত্যের বুলি,
শিখালেন যেথা সর্বজনে।
যার লাগি বহু যুদ্ধ বিগ্রহ হলো,
আদি আরববাসীদের সনে।
কাবা ঘরের তিনশত ষাট মুর্তিকে,
ভেঙ্গে দিলেন যখন নবী।
তখন মিথ্যার মাঝে সত্যের জয় নিয়ে,
উদিত হলো আলোর রবি।
সেই রবিরই প্রখর আলোর পরশে,
প্রথম আলী ওমর ধীক্ষা লয়।
তাই তাদের শৈয্য বীয্যের কাছে,
সরল শত্রু শক্তি ধ্বংশ হয়।
বদর, অহুদ ও পরিখা এরুপ,
তাই আরো অনেক যুদ্ধে কত।
দিয়েছে প্রাণ তাহাদের হাতে,
কোরেশ জাতীয় মানুষ শতশত।
তাই ইসলাম সেথা প্রতিষ্ঠিত হলো,
ইমান ঐক্য বিশ্বাস লয়ে।
আল্লাহু আকবর ধ্বনি শুনলে তাই,
থর থর করে কাপে প্রাণ ভয়ে।
এক আল্লাহু ছাড়া পূঁজোনীয় বলে,
এই বিশ্বে কেহ নাহি আছে আর
এই সত্যের বাণী পৌছে দিতে নবী,
কোরান নিয়ে এলেন হাতে তার ।
হেথা পেল তাই নারী সম অধিকার,
সুখ আর দুঃখ অর্ধেক পতি অর্ধেক তার ।
এই নিয়ে দু-জনে মাঝে হয় বন্ধন,
গড়ে উঠে তাই হেথা সুন্দর সংসার ।
ধনী আর গরীবের মাঝে নাহি ভেদাভেদ,
মসজিদে নামাজ পড়বে একসাথে।
অভুক্ত রেখে পরশি মানুষ জনে,
কোন অন্ন ভোজন করবেনা সে সাক্ষাতে।
কলমা,নামাজ,হজ্জ্ব,রোজা ও যাকাত,
এই মোট পাঁচটি স্তম্ভ মানলে।
মুসলিম পাকা হবে সে নিশ্চই,
মনে পাকা ইমান ও বিশ্বাস আনলে।
তাই আদম হতে যুগ যুগে কত নবী
এসেছিলেন এই বাণী নিয়ে।
সর্বশেষে তিনি এসে শেষ করলেন,
সত্যের শেষ বাণীটুকু ‍দিয়ে।