সাঁঝের আঁধারে শর্বরী জামা উঠিয়ে
তার স্তন পুরে দিল আমার মুখে
যৌবনের প্রারম্ভিক খ্যাপাটে সিংহ যেন
ওৎ পেতে ছিল এরকম নিঃশব্দ আচরনে ।
ক্ষিপ্ত তাড়নায় নয় আহা! শর্বরী শুধু তোমারি
যে যুবতী কৃপণতা ছাড়া তোমার চুল ছিঁড়ছে
পিঠে রক্তাক্ত নখের দাগ বসিয়ে ভালোবাসায়
দুমড়ে মুচড়ে মালকোঁচা মেরে ৬৯এর আন্দোলনে
সড়ক দিয়ে দৌড়াচ্ছে স্বাধীনতার দিকে ।
মালগাড়ীর পেছন থেকে ইঞ্জিন শান্টিং হচ্ছে
শর্বরীর ঠোট দুটো শুধু আমারই মুখের দখলে
আমার মনে হচ্ছে বিপ্লব সফল হবে কিন্তু
কমিউনিজমের কৃপণতা আর পুজিবাদের উত্থানে
আমার এই যৌনাস্ত্র পুরোপুরি টেররিস্ট এখন
আমাদের সংগ্রাম শেষে মনে হল স্বাধীন
জীবন পেতে হলে কৃপণতাহীন ক্যাপিটালিজম বেস্ট ।।