এ রকম শুক্লপক্ষের আঁধার নামলেই
আমি ঝাঁপিয়ে পড়তাম তোর ওপর
নষ্ট, এলোমেলো করতাম তোর ওষ্ঠরঞ্জনী
পুজোর দিনগুলোতে সেই কত আগে ।
তোর সাধের আঁকা যত্নের সিঁদুর টিপ
কি আশ্চর্য হয়ে আমার সারামুখে ছড়িয়ে যেত
তুই কাঁদতি , আঁধারে ক্রন্দনের শব্দ শোনা যায়
আঁধারে যায়না দেখা ফষ্টিনষ্টি আর নয়নবারির ধারা
পুজোর রাতগুলো অসম্ভব উদ্দীপনা আর উত্তেজনায় ভরপুর ছিল
চারযুগ আগে চুপিচুপি চলে গেলি কণিকা
চিতায় চড়ে চন্দন কাঠ আর ঘৃত সমাহারে
আমি নদীতীরে বসে স্তব্ধ হয়ে দেখেছিলাম
আমার কণিকা ক্রমশঃ বিলীন হল অগ্নিদেবতার কাছে।
কেউ একজন আঁধারে দারুর হাড়ি ধরিয়ে দিল, আহা !
সব দুঃখ আর বেদনার উপশম পেটে চালান করে
বাঁশিতে ইমনের সুর তুললাম চারপাশে ঘিরে স্বজন ।
জানিস কণিকা ! ওরকম আঁধার ফিরে ফিরে আসে
আমি জেগে থাকি অলিন্দ দিয়ে আকাশপানে তারা দেখে
সিঁদুরহীন , ওষ্ঠরঞ্জনীবিহীন এ জীবন আঁধারেই কাটুকনা
কি বলিস ???