আমার জীবনে অপার্থিব বলে কিছু ছিলনা
যা দৃশ্যমান একষট্টিটি বসন্তে তার সবটাই পার্থিব
আমার জননী আর জনকের ভালবাসায় আমি দীপ্তবান
আমি নই যীশুর মত ঈশ্বর পুত্র , নই নই বীর্যবিহীন
এক গায়েবী জলজপত্রে উন্মোচিত গগন মাঝারে ।
আমি মিথ্যার আশ্রয়ে করিনা বসবাস অপার্থিব কুঠরিতে
যেথায় পেঁচাগুলো বড্ড কঠিন সত্য হয়ে দেদীপ্যমান
করতলে বক শালিখের হাক ডাক টিয়াদের পাকুড় খাওয়া
নদীতে ভাসমান ডিঙ্গা অভিমানে ভোগে মৎস্যহীন বিচরনে
নিশি গগন মাঝে শশী করে পূর্ণ যৌবনময় পার্থিব সময়ে

সবচে অপার্থিব বিষয়াবলীই কিন্তু তীব্র পার্থিবতায় উজ্জ্বল
সৃজিয়াছেন তোমায় যিনি , করবে অস্বীকার ? দুঃসাহসী বটে!
তবে করো অস্বীকার তীব্র ঝাঁঝালো ম্যাগনেটিক ফিল্ড
ম্যানটেল কোরের তীব্র আকর্ষণ আর আকাশগঙ্গার নিশিদিন খেলা
তাহলে তুমিই অপার্থিব একখণ্ড মেরুদণ্ডহীন ধুমকেতু
চৌম্বকত্বের তীব্র দহনে দলছুট ঘরবাড়ী – সংসার বিহীন
কি করুনা তোমায় , বেচে থেকেও করো মৃতের ভান ।
আমি যা কিছু ছুঁয়ে দেই , দেখি দুনয়ন ভরে তাই হয়ে ওঠে পার্থিব
আমার কাঠামোর ভেতরে অদ্ভুত বিদ্যুতের সমাহার
টের পাই রাতের পর রাত জেগে থাকে পরমেশ্বরের সন্ধানে ।।