সজোর বর্ষণ নেমেছিল দুচোখ ভরে
হৃদয় আকাশ ভরা কালো দুঃখ মেঘ
৩২ টি হেমন্ত -যেন এইতো সেদিন
সিঁড়িতে বসে পাশাপাশি , মেনে নিতে
জীবনের প্রস্তরসম বাস্তব ব্যাবচ্ছেদ ।
ক’ ধাপ নিচেই পুড়ছিল শেষহীন শেষের কাব্যমালা
আমাদেরই ইচ্ছায় - স্বেচ্ছায় চির নির্বাসনে !
এতটুকু মান নেই , নেই অভিযোগ
শুধু চোখ চিক চিক হোয়াং হোর
বালুতট - মাঝে দুফোটা জল
সযত্নে মেখে নিলাম গণ্ডে – মেলাবো
আজীবন আমারই যমুনার ধারাপথে ।
হেমন্ত ভালোবাসাকে দ্বিখণ্ডিত করে
ভাসিয়ে দেওয়ার তরে বো -হাই উপসাগরে
দূর দূরান্ত হতে অমোঘ শর্তহীন ভালোবাসার প্রতিশ্রুতি
আঙ্গুলে লেখালেখি সিঁড়ির ধূলিতে
শতপদের রেখে যাওয়া পদচিহ্নর মাঝে ।
আবারো কখনো হবেনা, হবেনা দেখা জেনেও
দিলাম জানিয়ে , বিচ্ছেদের দেহ দুটি দুপথে ।
আমি সাথে নিয়ে যাবো হটাৎ পাওয়া
ভালোবাসার মৃগনাভি সম সুগন্ধি আঁধার
আমি সবেগে টেনে নিলাম নিলাম বাওলিকে
আমার কাঁধে, বুকে, ঠোঁটে শেষবারের মত ।।