পূর্ব কালে ব্যক্তি মেনেছিলেন...
ঋণী থাকা... এক দীনতার ভাবনা
অন্য ব্যক্তির উপকারের ভার বহন করিবার লাঞ্ছনা
দৈনিক আবশ্যকতাগুলির পূর্ততার জন্য অন্য ব্যক্তির স্তাবকতা
নীতিগত ভাবে সামাজিক মর্যাদার হ্রাস
... অপমান সহিবার অবশ্যম্ভাবিতা
পবিত্র ব্যক্তি ও ঋণিতার আদর করলেন না
.....কাল পরিবর্তন হল....
তাহার সাথে মানদন্ডে ও পরিবর্তন হল
লোক জীবনে এমন অবস্থা এল...
ঋনের বিনা জীবন ব্যতীত করা অসম্ভব হল
প্রত্যেক ব্যক্তিকে জীবনে কম পক্ষে এক বার ঋন কিনিবা বাধ্য হবা পডল
ঋন কিনিবা তাহাকে আকর্ষিত করা হবা লাগিল
আন হাতে ঋণের ক্রয় হল প্রতিপত্তি
আর আশা জন্মিল... যে অমুক ব্যক্তি আজ বা কাল দিব
... ঋন থেকে মুক্তি ...
ঋন থেকে মুক্তির তাৎপর্য হল পারস্পরিক সম্বন্ধের অবসান
তথাপি মা,পিতা,গুরু যেমন ব্যক্তিগুলির ঋন এত আছে
...তাহার পার হবা সম্ভব নয়
তাহার সেবা অনবরত করার জন্য
চির কাল তাহাদিগের ঋণে থাকিবাই
মনের সন্তোষ
আর তাহার আশীর্বাদ পোবার নিশ্চয়তা