দূর প্রান্তর ধূলি আর বালির কনা
উচু উচু ইট পাথরে গড়া দালান কোটা,
কুঁজো বুড়ো মুখ থুবড়ে পড়ে
মৃত প্রায় এই ধরনী ফিরে পেতে চায় যৌবন,
বুড়োর যৌবনে ছিল অরণ্য ।।

হায় মানব জাতি, যদি না থাকে বাচি,
পাইবে কি ঠাই, ভাবিয়ে তুলে নাই?
বুকচিরে কাঠচিরে, গড়িয়েছ প্রাচীর,
মুখ বুঝে সয়ে আছে, তোমাদের দেখেছে যে সুখে,
বুড়োর যৌবনে ছিল অরণ্য ।।

একদিন বুড়ো ছিল ভরা যৌবনে
চারদিক সবুজ আরন্য মাঝে,
ফাঁকে ফাঁকে ডেকে উঠে বিহঙ্গ প্রান
শিরায় শিরায় খেলা করে জোয়ার ভাঁটার জল,
বুড়োর যৌবনে ছিল অরণ্য ।।

দিক্কার দেয় প্রজন্ম, জন্ম দিয়েছে বিকলঙ্গ,
বিক্ষিপ্ত ধরনী, আতঙ্ক দিন রজনী।
রাখেনি একটি বীজ, ফিরিয়ে দিতে সেই দিন,
বুড়োর যৌবনে ছিল অরণ্য ।।