পশ্চিমে গেছ? ওই যে যেখানে রক্তিম সূর্যটা জ্বলতে জ্বলতে, পুড়তে পুড়তে কোনো এক শীতল স্রোতের কোলে বিসর্জন দেয় নিজেকে। কেন সে বারবার বারবার পোড়ে, প্রতিদিন সাজায় বিসর্জনের নিদাঘ মঞ্চ? সে সব জানতে আমি একদিন গিয়েছিলাম একা, রাগী, ক্লান্ত অথচ সৌম দর্শন প্রশান্ত এক পুরুষের মতো সে ডুব দিলো চোখের আড়ালে..... আর সাথে সাথে পূবের আকাশে দেখতে পেলাম এক চপল চিহ্ন। এক অত্যুজ্জ্বল ঘোর লাগা চাঁদ যেন সেই বিসর্জনের আরতি মেখে ফুটে উঠলো আপন মহিমায়। আমি তারপর ফিরে এলাম সেই চাঁদটাকে নিয়ে। ঘোর লাগা মনে আমি উপলব্ধি করি.... বিসর্জনের মঞ্চে সুন্দরের সৃষ্টি হয় প্রতিনিয়ত। এটাই বিসর্জনের সার্থকতা!!
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
গোবিন্দ বীন
আমি তারপর ফিরে এলাম সেই চাঁদটাকে নিয়ে।
ঘোর লাগা মনে আমি উপলব্ধি করি....
বিসর্জনের মঞ্চে সুন্দরের সৃষ্টি হয় প্রতিনিয়ত।
এটাই বিসর্জনের সার্থকতা!!ভাল লাগল,ভোট রেখে গেলাম।আমার কবিতা পড়ার আমন্ত্রন রইল।
এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।