এ ফাগুন, সে ফাগুন

ভালোবাসা / ফাল্গুন (ফেব্রুয়ারী ২০১৫)

SAJIV ISLAM
  • 0
  • ২৩৮
পমপম শশাঁ দিয়ে এক ধরনের ড্রিংকস বানালো... তেঁতুল সরবত, টকদই, দিয়েও এক ধরণের সিরাপ...
একটা মিস্ত্রি ডাকতে দারোয়ান ব্যাটা-টা গেছে তো গেছেই... আবার নিচের মূল দরজাটায় তালা লাগিয়ে... কেই এলে দুই-চার তলার উপর থেকে গলাবাজিয়ে হাঁকাতে হয় 'কে? কে?' টিপু মিশুর বন্ধুরা এলে সরাসরি ছেমড়িটা বলে টিপু মামা বাড়ীতে নেই। তাই অন্ত-নিরু একটা এসএমএস করে অনেক সময় - 'জানায় মিশু আমরা সিরাজ-এর দোকান চা-খাচ্ছি...'।'
উল্টো দিকের দোকানটা কৌণিক দূরত্বে একটা কড়ই গাছের নিচে যেটির অবস্থান সুবিধাজনক জায়গায় ও প্রতিবেশে... ওটা দু'চার বছরের বড়-রা গুরু স্থানীয়রা আখড়াছে এদের থেকে বয়োবৃদ্ধরা চলে যেতেই! মিশুরাও দিনগুনছে এরা কবে যাবেন। আর এরা সিনিয়র মোস্ট বনে যাবেন আর কি এবং জুনিয়ার একদল এমনি সিরাজ-এর দোকানে লুকিয়ে-সেঁধিয়ে বিড়ি ফুঁকবেন...।
চা-এর ট্রলিমার্ক ভ্যান দোকানটা গড়িয়ে গড়িয়ে এনে সেঁকল দড়ি দিয়ে একসাথে কড়ই গাছটা সাথে বাঁধা অবস্থায় রাতটা পাড় করবে আর ওটার তলায় একটা কুকুরকে পাওয়া যেতেও পারে।
ইয়াংটিনস্ বাড়ী পালানো ছেলে-ছুকড়ি, শৌখিন বিপ্লবীদের দল আর গ্র্যাফিটি আঁকিয়ে ইল্লিইগেল ইমগ্রেন্টস্, ইস্ট ইউরোপিয়নস্ সেগুলো সব মিলিয়ে দখল করা বাড়ীতে কৌম করে থাকা যুব পুরুষ মহিলা আর ইস্রইলী কিংবা মার্কিনী অথবা এক দু'জন সবমিলিয়ে যে জিনিষটা তা হল এ্যানার্কিস্ট-রা...।
কমার্শিয়াল স্ট্রিটের স্কোয়ার্টসট পুলিশ গত একমাস আগে নোটিশ ঝুলিয়ে দিয়ে চলে গেছেন- "খালি কর" কেউ-কেউ চলে গেছেন আবার অনেকে রয়ে গেছেন এখানে। বাড়ীটা অকোপায়েড... - এই টেরিটোরিতে ত্রিকোণ কোন তাবুতে শীত গ্রীষ্মে এক আইরিশ থাকেন। রাত বাড়লে ওর গিটার এর শব্দও বাড়ে হিমাঙ্গের নিচে তাপমাত্রায় খোলা জায়গায় আগুন জ্বালাতে ওর এক সংগ্রাম সংযোগ...। আর ইংরেজটা আড়াই তলার একটা ঘুপচি মতো খোঁয়াড়ে। মাদক সেবীরাও সুযোগ বুঝে চলে আসেন...। পতিতারাও কখনো মাদক বিক্রেতা, ছ্যাঁচড়া চোর গাড়ীর লক্ খোলা এক্সপার্ট হ্যান্ড যাদের চোখটা ছোট টর্চের আলোয় এক মুহূর্তে দেখে নেয়। গাড়ীর ভেতরের স্টেরিওটা- পোষাবে কি? শ্রম সময় আর ঝুঁকি ইনভেস্টেও পর... এ জায়গার অনেক মেয়েই পে-সেক্স বলে কথিত সেক্স ওয়ার্কার যুবকটি তার মিনসে অথবা দালাল... কর্তৃত্ব ফলাতে শেষ রাতে ভাংচুর গালিগালাজ... আর ঐ ঘরে যুবকের জাঙ্গিয়া পড়ে ঘুরে বেড়ানো আদব নিয়ে খবর নেন 'আমি কি কাজটা ছেড়ে দিয়েছি কিনা?' ঐ গভীর রাত কিংবা ভোর অব্ধি উইক এন্ডে সুর সার্ভের কাজ।
ওরাই ঝগড়া করেন,
ওরাই জড়িয় ধরেন,
ওরাই আবার চুমু খেতে খেতে ঘরের দোর বন্ধ করেন।

বাসটিও পর্যন্ত আপনার এরই মধ্যে দেখা হয়ে গেছে...।
হয়তো খেয়ালে বেখেয়ালে
বক্ষ-নিতম্ব ও স্পর্শকাতর জায়গা গুলোতেও
হাত-পা বাড়ি খেয়েচে কিচেনে...
কমন কোন স্পেইসে...।
আর আপনার সাহস, উৎসাহ কুলায়নি... চুমু খাবেন...।
ত'বে হ্যাঁ পুরুষালী হেঁচকা টানে কোন চতুর্দশীকে বলা নেই কয়া নেই এমনি কোন বদ্ধ কপটে আচানক অন্তর্হিত হতে দেখেছেন?
আপনি আতঙ্কিত হতে পারেন,
হতে পারেন দায়িত্ববোধ তাড়িত অবস্থায়
বদ্ধ কপাট-টায় আঘাত করতে উদ্ধত হতে...।
তবে, আমি বলবো সকাল পর্যন্ত একটু অপেক্ষা করুন...।
মেয়েটি নিদ্ধিধায় ঘুরে বেড়াচ্ছে আর যুবকটি তার পার্টনার হানি-লিটন করছে... চুম্বন। মর্দন, ঘর্ষণ- ছেদনের পূর্বপ্রস্তুতি... আর কি?
রতি- শীৎকারগুলো পুলকপ্রদ নয়-
রতি রঙ্গেও স্বতপ্রবৃত্ত স্ফুরণও
নয়... নয় আনন্দানুভূতি
নয় আবেগ স্ফুরণজনিত সহজাত অভিব্যক্তি...
নিতান্তই আত্মার আর্তনাদ যেন।
- প্রেম খুব শক্ত বিকর্ষণ,
সংক্ষোভ ও বিস্মৃতি প্রবণ
মানসিকতাকে ধারণ করে।

আমিও বাঙ্গাল এরপর কোন সময় মেয়েটির দেখা পেতেই স্বভাবতই বেফাঁস এক পর্যায়ের ওর এক্স-এর কথা জিজ্ঞেস করাতে- মেয়েটি স্মরণ করতে চাইলো, নামটা চিনতে চাইলেন-
তারপর বললেন, ওটাকে ছেড়ে দিয়েছেন...।
'কেন?'
বললেন - 'হি ওয়াস্ নট্ গুড্ এট্ বেড...।'

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
রবিউল ই রুবেন খুব ভালো লাগল। শুভকামনা সাথে ভোট রইল। আমার কবিতা ও গল্প পড়ার আমন্ত্রণ রইল।
ভালো লাগেনি ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৫

২৪ জানুয়ারী - ২০১৫ গল্প/কবিতা: ২ টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।

বিজ্ঞপ্তি

“এপ্রিল ২০২৬” সংখ্যার জন্য গল্প/কবিতা প্রদানের সময় শেষ। আপনাদের পাঠানো গল্প/কবিতা গুলো রিভিউ হচ্ছে। ১ এপ্রিল, ২০২৬ থেকে গল্প/কবিতা গুলো ভোটের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এবং আগামি সংখ্যার বিষয় জানিয়ে দেয়া হবে।

প্রতিযোগিতার নিয়মাবলী