শাড়ির শরীর

বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী সংখ্যা

সুমন সাহা
ওখানে পা ছড়িয়ে বোসো না, আমি মুগ্ধ-দর্শক হতে জানিনা
কালো ঠোঁট চেটে নাও লাল জিভের ডগায়
চোখ মেললেই মনে হয় মুখে হাত দিয়ে বসে আছো
আমি তোমাদের সমস্ত ভেজানো দরজা দেখতে পাই।
আমি একা বসেছিলাম জানালায় তুমি ও তোমার সাথে আরেকজন শাড়ি পরে
দাঁড়ালো দরজায়, অগোছালো ভঙ্গিতে জিজ্ঞেস করলাম, ভালো আছো? তোমরা বললে
পৃথিবীতে এখন আর কেউ ভালো থাকেনা, জানালায় কেউ আর একা বসে থাকেনা!
তবু ভেতরে-বাহিরে ঝড় বয়ে যায়, অলস বিকাল আসে ক্ষীন সময় নিয়ে
দিয়ে যায় একতাড়া অলক্ষুনে স্বপ্ন, দেখতে পাই-
তোমাদের ভেতরে ডুবে যায় আমার সমগ্র অস্তিত্ব, বলতে পারিনা-
তোমাদের স্নান করতে হয়না; জল নিজে স্নান করে তোমাদের শরীরে, বলতে পারিনা-
আমি মনে মনে, মনে মনে, মনে মনে চেয়েছিলাম
গভীর অরণ্যের মধ্যে তোমাদের হাতগুচ্ছ ধরে হেঁটে যেতে স্বর্গের দিকে, আমি
তোমাদের হাতে দেখতে চেয়েছিলাম নীল বুরুজ, উঁচু হীল খুলে রেখে তোমরা
হাঁটছো খালি পায়ে, আমি
প্রত্যহ সকালে তোমাদের মুখ হতে শুনতে চেয়েছিলাম জলের গান, কিন্তু তোমরা
আমায় সে আসমানী জল না দিয়ে চোখের জল উপহার দিলে, সে জলে মুখ ধুয়ে
মনে হয় আমি ঠান্ডা মাটির ঘরে বহু’দশক ধরে বন্দী তবু
মাত্র ন’মাস ঘুমিয়ে ছিলাম লীন-জাগরণে, আমি বহুদিন ধরে তোমাদের প্রতীক্ষায়-
প্রক্ষালন করেছি আমার হৃদ-অন্ত-গহ্বর, আমি কোটি কোটি শব্দ ছুড়ে ফেলেছি
চিত্রার জলে, তবু কিছু মুহুর্ত না দিয়ে তোমরা আমায় দোদুল প্রেমে মুগ্ধ করে দিলে, আমি
তোমাদের সাথে চোখে চোখ রেখে কথা বলতে চেয়েছি, তোমরা আমায় ঠান্ডা কথোপকথনে
আহবান করলে, তবু আমি সিক্ত হই, প্রেম নিই, মেতে রই এমন অপ্রেমে
আমার বহুমূল্য ছায়ারা বিক্রি হয়ে যায়, তোমাদের অসংখ্য অনুত্তরে...
এভাবেই ভেসে যায় আশেপাশের বাড়ি-ঘর মেসেঞ্জারের নীরব বাক্য বিনিময়ে!
জেগে রয় আমার অতৃপ্ত অস্তিত্ব আর তুমি আর তোমার সাথে আরেকটি শাড়ির শরীর!
আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন
কাজী জাহাঙ্গীর অনেক ভাল লিখেছেন কবি। যদিও আবেগ, প্রেম, আকাঙ্খা, ক্ষোভ এসবের প্রকাশে একটা লাইনে ম্যাসেঞ্জার ছাড়া আর কোন ডিজিটাল ইক্যুপমেন্ট ব্যবহার করেন নি। কিন্তু কবিতা একখান দিলেন!!!!! অনেক শুভকামনা ভোট আর আমার গল্প ও কবিতা পাতায় আমন্ত্রণ।
নাজমুছ - ছায়াদাত ( সবুজ ) সবার পাতায় যান । তাদের কবিতা পড়ুন । উতসাহ দিন। আর নিজের ভুল গুলো শুধরে নিন। আসলেই ......পৃথিবীতে এখন আর কেউ ভালো থাকেনা, জানালায় কেউ আর একা বসে থাকেনা!... চমৎকার লেখা ।
তাপস চট্টোপাধ্যায় সুন্দর ভাবনা ।আমার পাতায় আমন্ত্রণ।
গোবিন্দ বীন তোমাদের সাথে চোখে চোখ রেখে কথা বলতে চেয়েছি, তোমরা আমায় ঠান্ডা কথোপকথনে আহবান করলে, তবু আমি সিক্ত হই, প্রেম নিই, মেতে রই এমন অপ্রেমে আমার বহুমূল্য ছায়ারা বিক্রি হয়ে যায়, তোমাদের অসংখ্য অনুত্তরে... এভাবেই ভেসে যায় আশেপাশের বাড়ি-ঘর মেসেঞ্জারের নীরব বাক্য বিনিময়ে! জেগে রয় আমার অতৃপ্ত অস্তিত্ব আর তুমি আর তোমার সাথে আরেকটি শাড়ির শরীর! ভাল লাগল,ভোট রেখে গেলাম।পাতায় আমন্ত্রন রইল।
নিলয় ভূঁইয়া সুন্দর লেখা।

১০ জানুয়ারী - ২০১৫ গল্প/কবিতা: ১ টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের আংশিক অথবা কোন সম্পাদনা ছাড়াই প্রকাশিত এবং গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী থাকবে না। লেখকই সব দায়ভার বহন করতে বাধ্য থাকবে।

প্রতি মাসেই পুরস্কার

বিচারক ও পাঠকদের ভোটে সেরা ৩টি গল্প ও ৩টি কবিতা পুরস্কার পাবে।

লেখা প্রতিযোগিতায় আপনিও লিখুন

  • প্রথম পুরস্কার ১৫০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।
  • ্বিতীয় পুরস্কার ১০০০ টাকার প্রাইজ বন্ড এবং সনদপত্র।
  • তৃতীয় পুরস্কার সনদপত্র।

আগামী সংখ্যার বিষয়

গল্পের বিষয় "উষ্ণতা”
কবিতার বিষয় "উষ্ণতা”
লেখা জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৫ ডিসেম্বর,২০২১