ঘড়ি ধরে স্কুল কলেজ ছাত্রজীবন
ঘড়ি ধরে মাঠে খেলা অনুশীলন
খেলোয়াড় জীবনের কঠিন অধ্যবসা,
ঘড়ি ধরে প্রতিদিন চাকরী জীবন
চায়না তবুও মনকষ্টে কাজে আসা,
গুটি গুটি পায়ে হাঁটতে হাঁটতে
দৌড় শিখে ফেলেছি সেই কোন কালে
তারপর ঘড়ির কাঁটার পেছনে ছুটছি তো ছুটছি
কখনও আস্তে কখনও জোড়ে কখনও হোচট খাচ্ছি
কখনও বিশ্রামের ভেতরও বিষম খেয়ে ছুটছি
কিন্ত কেন ছুটছি?ভাববার সময় নেই বলেই ছুটছি,
কিশোর যৌবন পেরিয়ে মধ্য বয়সে এসে
হঠাৎই মনে হলো এতোটা পথ কত দ্রুত চলে এসেছি
কখনও দুঃখে কখনও কষ্টে কখনও হাঁসিতে খুশিতে
কখনও ভাবনায় চিন্তায় বিশাল আকাশের নিচে
নিজেকে খুবই ক্ষুদ্র একা অসহায় মনে হয়েছে,
এখন ভাবি আমার রাজ্য নেই প্রজা নেই প্রাসাদ নেই
হুকুম তামিল করার চাকর নখর পর্যন্ত কেউ নেই,
এতো এতো নেইতে মিলে মিশে একাকার হয়ে গেছে মন
তাই প্রাপ্তি অপ্রাপ্তির হিসেবের আক্ষেপটাও আমার নেই,
এখন যা আছে তাও হিসেব রাখিনা গুনে গুনে
দীর্ঘশ্বাস নেওয়া আর ছাড়ার মাঝে
বুকের ভেতর যে শান্তি থাক না তা বেহিসেবি,
দীর্ঘ চলার পথের প্রাপ্তি সঙ্গি সাথী
তাতো কেবল ঐ নির্ভেজাল দীর্ঘশ্বাসই,
বেশি হিসেব করলে যদি আবার ধুপ করে
আমাকেই থামিয়ে দিয়ে চলে যায় পরোপারে
তখন এ দেহটা মূল্যহীন হয়ে মাটিতেই মিশে যাবে।