সোঁদা গন্ধের উন্মাতাল হাওয়ায় আবারো তোমাকে অনুভব;
ঘনশ্যামা বাতাবরণে ছাওয়া নিদাঘ প্রকৃতি
মুহুর্মুহু চমকিত হয়
দুর্দান্ত এক আগমনী অভিষেকে।
অগ্নিঝরা কষ্টের প্রহরগুলোকে বিদায়ী বার্তা ছুঁড়ে দিতে
অপার ধারায় উদ্ভাসিত তুমি এক আগন্তুক...
প্রতিটি ধারার মাঝে মিশে থাকা তোমার অস্তিত্বকে মেখে নিই
তৃষ্ণার্তের সুনিবিড় পিপাসায়।
অকৃপণ দাক্ষিণ্যে ধন্য হয়ে ওঠা পথ প্রান্তরে,
জয়বার্তা শুনতে পাই তোমার অনবদ্য কারুকার্যের।
মুগ্ধতার রেশ রেখে যাই... জানালার আর্শিতে ফুটে ওঠা
বিন্দু বিন্দু স্বেদকণিকায়।
তরুণীর এলোমেলো খোলা চুলের ইন্দ্রজালে ডুবে থাকে
তোমার একান্ত সৃষ্টির অতৃপ্ত উচ্চারণ।
কর্দমাক্ত কিশোরের হাতে সিক্ত কদম তুলে দিয়ে
পরিপূর্ণ তুমি মেতে ওঠো বর্ষণের উদ্দাম হোলি উৎসবে।
শাসনের রক্তচক্ষুকে ফাঁকি দিয়ে,
ছাদের এককোণে চুপি চুপি স্নাত হওয়া দুরন্ত কৈশোরকে,
মাতিয়ে দিয়ে যাও তুমি দ্বিধাহীন প্রশ্রয়ে।
তোমার আগমনী সুরেই বেজে ওঠে অশ্রুত ঝঙ্কার
বাঁধনছেঁড়ার দুঃসাহসী অনুভবের...