লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ২৩ নভেম্বর ১৯৭৫
গল্প/কবিতা: ৬৫টি

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftদুঃখ (অক্টোবর ২০১৫)

নৈঃশব্দের সঙ্গিনী
দুঃখ

সংখ্যা

ফাহমিদা বারী

comment ১৫  favorite ২  import_contacts ১,৪০১
ব্যস্ততায় ঘিরে রাখা নিদারুণ এই হিসেবী দিনগুলোতেও
আলগোছে ফেলে রাখা বাক্সটাতে আটকে যায় চোখ।
পুরনো জীবনের ছিঁড়ে খুঁড়ে ফেলা যত হিসেব নিকেশ
দুমড়ে মুচড়ে চাপা দিয়ে রেখেছি ঐ বাক্সটাতে।
তোমার ছেড়ে যাওয়া জীবনের যত স্বাক্ষর,
একটু একটু করে বেড়ে ওঠা সম্পর্কের সকল স্মারক
ভীষণ যন্ত্রণায় তাড়িয়ে বেড়াতো সারাক্ষণ।
আমার একাকী জীবনের সংগী হতে সর্বস্ব বাজি রেখে দিত
তোমার ফেলে যাওয়া হতশ্রী স্মৃতিগুলো।
তাড়াতে চাইলেও সেঁটে যেত ঠিকঠাক;
যেমনিভাবে সেঁটে গিয়েছে তোমার অনিন্দ্যসুন্দর মুখখানি
বুকের বা পাশে, একটু নীচে...সূক্ষ্ণ ব্যথায় প্রায়ই জানিয়ে যায় সেটা।
ঝুল বারান্দায় রেখে দেওয়া টবের গাছগুলোতে
সকাল-সন্ধ্যে ফুটে চলেছে সাদা গোলাপী নয়নতারা, বাগানবিলাস।
তোমার যত্নবিলাসী ওরা জানেনা তোমার অন্তর্ধানের কথাটা;
তাই বুঝি ফুল ফোটাতে নেই কোন আলস্য।
চোখের সীমানার মাঝে সর্বত্রই তোমার ছায়া;
নৈঃশব্দের মায়াজালে আবদ্ধ এই তোমাতেই আজ আমার বাস।
শেষ কবে পড়েছিলে ঐ মেরুন শাড়িটা?
কুচিগুলোর রেখা যেন আজও স্পষ্ট হয়ে আছে।
চিরুনির ভাঁজে ভাঁজে বুঝি আটকে আছে কিছু চুল!
তোমার বাহারী খোঁপায় ভারী মানিয়ে যেত কৃষ্ণচূড়া,
দু’একটি পাঁপড়ি কী এখনো এখানে ওখানে খুঁজে পাওয়া যায়?
আয়নার এক কোণে সযত্নে সাঁটা আছে ছোট্ট লাল একটি টিপ;
পুরো ঘরময় ইতি উতি ছড়িয়ে আছে
তোমার নিত্য দিনের হাজারো সংগী সাথি।
সাথে কেন নিলে না বলতো?
বেশ ফাঁকি দিলে আমায় তাইতো?
ভাবছো বুঝি,’কেমন? মজা দেখ এইবার!’
অনন্তলোকের ওপার থেকে হেসেই হয়তো কুটিকুটি।
ফিরে তো আসে না কেউ, তুমিও ফিরবে না জানি;
কেন তবে মিথ্যে ছোঁয়ায় ভুলিয়ে রাখো আমায়?
সত্যিকারের ভুলে যেতে দেওনা এবার!
একটিবারের জন্য............।।

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement