লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ১ মার্চ ১৯৯৬
গল্প/কবিতা: ৫টি

প্রাপ্ত পয়েন্ট

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftঘৃনা (আগস্ট ২০১৫)

এটাই জীবন
ঘৃনা

সংখ্যা

আল্ আমীন

comment ৪  favorite ০  import_contacts ১,০৯৩
আবুলের মুখে আজ মিট
মিটি হাসি। শুধু্ই
আবুলের মুখেই নয়
গ্রামে জুড়েই বইছে
মিষ্টি হাসি ভাল
লাগার একটা বাতাস।
গ্রামের সব লুকের মুখে
মিষ্টি হাসি কথায়
কথায় রসিক অতার
একটা টান। গ্রামের
লোকেদের প্রধান পেশা
হচ্ছে কৃষি কাজ। কৃষি
কাজ করে তাদের
জীবন চলে। আর
এবছর বাম্পার ফসল
হয়েছে। আর এ এলাকা
হচ্ছে বাডি এলাকা
এখানে ধান ভাল ফলন
হয়। হাউয়রে দিকে
তাকাতেই ঝেন প্রান
বরে যায়। পাখা ধানে
ঝেন সাড়া বওন হলুধ
হয়ে রয়েছে। কুতায়যে
হাউয়রের শেষ চোখ
খুজে পায়না। ভাবতেই
অবাক লাগে যেন পুর
পৃথিবীই শুধু্ই ধান আর
ধান। কিকরে যে
হাউয়র টা কে সাজায়
কৃষক এরা। আবুল
মিঞা গুড়ে গুড়ে কেত
গুলু দেখছে। চোখ জুড়ে
তার কত স্বপ্ন । ছেলে
মেয়ে ধারকে
শিক্ষিতও করে তুলা।
আবুল গরিব হলেও তার
অনেক বড় স্বপ্ন বড়
মেয়েকে ডাক্তার।
আবুল ঘুমের ঘরেও
ভাবে তার মেয়ে কে
ডাক্তার হলে কেমন
লাগবে তার চুট্ট
মেয়েটি চশমা পরবে
ডাক্তারে পুষাগ পরবে
অনেক বড় দেখা বে
তার মেয়েকে। আজ
অনেক রাত হয়েছে ঘুম
আসছেন আবুলের
চোখে একের পর এক
স্বপ্ন বয়েই চলেছে।
বাহিরে ঝিরি ঝিরি
বিষ্টি হচ্ছে।হটাত
এক দামকা হাউয়া
জানালা কুলে। দু একটা
বিষ্টির পুটা আবুলের
চোখে মুকে এসে পরে।
আবুল উটে ধারলেন
এখন বিষ্টি ক্রমে
ক্রমেই ভারছে সঙ্গে
দামকা হাউয়া।
অনেকটা ঝরুচ্চাস
তুফান ঘূর্ণি জ্বর
সঙ্গে শীলা বিষ্টি।
আবুলের ছেলে মেয়েরা
খান্না দিয়ে উটছে।
আবুল ঝরিয়ে ধরলো
ছেলে মেয়ে কে। বিদুৎ
চমকাচে আর ঘন ঘন

ভূতুড়ে গর্জন। বেসে
আসছে গাছা পালা
বাগার শব্দ। আবুলের
এক ছালা টিনের গড়টা
কাঁপছে। আবুলের ছেলে
মেয়েদের চোখে মুকে
ভয়। আবুলের বিদ্ধ মা
কুরআন তেলাওয়াত
করছেন আর স্ত্রী
তজবি জপছে। আবুলে
মুখে উচ্চ সুরে
স্রষ্টার নাম। এক
সময় বিষ্টি থামে তখন
রাত চারটা কি সাড়ে
চারটা। এখনতো কাক
ডাকা ভুর হউয়ার কথা।
কুতাউ কাকের শব্দ
নেই তবে চারিদিকে
শুধু্ই মানুষের
আহাজারি আর
খান্নার আউয়াজ।
আবুল গড় থেকে
বেরহয়ে দেখে। এ কি
অবস্তা কারু মাথা
দিয়ে রক্ত ঝরছে কারু
পাদিয়ে রক্ত ঝরছে।
কারু গড় ভেঙ্গে কুরু
গড়ের উপর গাছ পরে
রয়েছে। কাউকে গড়ে
তল থেকে টেনে বাহির
করা হচ্ছে। এসব দেখে
আবুলের মাথা জেন
চকর দিয়ে উটে।
সুর্যের আলো পরেছে
পৃথিবীর উপর।এখন
আর কুতাউ খান্নার
শব্দ নেই। সবাই চুপ
হয়ে গেছে কারু চোখ
দিয়ে নীরবে পানি
ঝরছে। কারু চেহারা
অন্ধকার রাতের মত
কাল। কারু কিচু বলার
ভাষা নেই। শব
অবিযোগ একমাত্র
বিধাতার দরবারে। আর
এদিকে ধানের কোনু
অস্তিত নেই শব
শীলা বরষণে ঝরে
পরেছে। হতাশ হয়ে
বাড়ি পিরে আসে
আবুল। তাঁর মাথায়
পানি ডালচে তার
স্ত্রী। এই অবস্তা
শুধু আবুলেরি নয় আর
অনেকেরি।কোন এক
ফুত পাতে শুয়ে শুয়ে
রইল। গাড়ি শব্দ
মানুষের বিড় তাদের
ঘুম এ বাদা হইল না।
ক্লান্ত শরীর নিয়ে
জেনও তাঁরা চির সুখে
ঘুমাচ্ছে। আবার
ভাবতেও ভাল লাগেকে
পৃথিবীর বুকে কুলা
ময়দান। তাদের মাথার
উপরে চাঁদ হাজার
হাজার তাঁরা জ্বলছে।
শীতল বাতাস ইস্পর্শ
ভোলাচ্ছ।

advertisement

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement