তখন ছিল রাত বারোটা মায়ের অসুখ শুনে
আগু পিছু লাভ ক্ষতি আর চাইনি কিছু গুনে।

শহর ছেড়ে ছুট দিলাম ঐ অন্ধকারের মাঝে
গাড়ী ছেড়ে নামছি যখন রাত্রী দু'টো বাজে।

এখান থেকে দিতে হবে তিন কিলো পথ পারি
কেউ ছিলোনা ঐ পথে আর পরছিল ঝড় ভারি।

মাঝে মাঝে বিজলী এসে চমকে দিতো জোরে
গা ছম ছম আঁধার কেটে হাটছি খুড়ে খুঁড়ে।

আর কিছু পথ গেলেই দেখা মিলবে ঘন ঝোপ
আসতে মনে কলজে খানা করছিল ধোপ ধোপ।

তার পরে যেই চিতার পাশে তালগাছ টা আছে
বলছিল দি,ফিরেনি আর কেউ গেলে তার কাছে।

পরছে মনে ও সব কথা দিচ্ছিলো গায় কাঁটা
মায়ের মুখটা ভাসিয়ে মনে দিলাম তবু হাটা।

মনে হলো ঝোপ ছেড়ে কেউ হাটছে পিছু পিছু
তালগাছ টার নিচে যেন দাড়িয়ে আছে কিছু।

মুখে দরুদ বুকে সাহস ভাসছে মায়ের মুখ
ঘরের কাছে এসে বুকে বাড়লো যে দুক দুক।

আমায় দেখে অবাক তখন ভূত ভীতু গ্রামবাসী
সোনার মানিক পেয়ে মায়ের ফুটলো মুখে হাসি।