যত্নকরে রাইখাছিনু , পুষেছিনু কপোতে ; কান্না হেরি তাড়িয়ে দিলি; কি পাইলি তাতে বল রে মন।
সুখের কথা দুঃখেয় বোঝে বলেছিল দিব্য সে যে; অসুর রাজা কৃষ্ণ সেজে ফিরিয়ে দিল দুঃখ টাকে, তাকে খুঁজেআন, এখন।

ওরে ও মন, একলা বসে ভাবিস কি এখন।
ওরে ও ভোলা মন বলি একলা বসে ভাবিস কি এখন?

মানুষ বলে স্বর্গেতে সুখ, সবার সকল দুঃখ হবে দুর।
রাজা বলেন সুখের কি রূপ?
দীনের ঘরে আলো জ্বলে ,সুখের বাতি ঝলমল করে।
ধাতা বলেন আলিক কুহক; সুখের মোহে, তিমির হৃদয়।
ক্লান্ত হলো নীর।

নোটন বলে দুঃখ টাকে তাড়িয়ে দিয়ে, আমাই লোকে ডাকে।
আমি বলি , দুঃখ হেরি আমার সদন; বড়োই ফাঁকা লাগে।

শুনতে গিয়ে লোকের কথা, হারিয়েছি সব বিত্ত সেথা।
ও ভোলামন বড়োই একা লাগে।

পূণ্য বলে ,পাপের হেথা; আমায় লোকে ডাকে।
মানুষ হলো সুখের চাতক , দুঃখ টাকে ঢাকে।
স্বর্গ বাসী সকল মানুষ নরক পানে চাহে, লোকের দুঃখের ভাগি হয়ে, নিজে সুখে থাকে।

আমার ঘরে দুঃখের আলো, সুখের খবর আনে।
দুঃখ ব্যথি , সুখের কি রূপ আছে কে যে জানে?

মানুষ আছে অনেক রকম ।
দুঃখ হলো সুখেরি রূপ, দুঃখ টাকেই চেনে।
এমন মানুষ পাবে তুমি, দুঃখে তে সুখ খোঁজে।
সত্যি বলতে , ভাঙ্গা গড়া ।
মনেরই রূপ ,মনের মাঝেই পরে ধরা।

মানুষ পারে ভাঙতে তারে, জোড়া দেওয়া কঠিন নয়রে।
অবুঝ হলো স্বীকার করা, মনের কাছে মনের সারা।

ওরে ও মন, একলা বসে ভাবিস কি এখন।
ওরে ও ভোলা মন বলি একলা বসে ভাবিস কি এখন?