ধমনী খসে খসে পড়ছে অস্থিপুঞ্জ নিষ্প্রভ করে
বক্ষপিঞ্জরে নেই জীববিদ্যার ক্ষুদ্র জ্ঞান, শুধুই আকৃতির ধন্দা
প্রতিটি অস্থিই এখন এনাটমির তিগ্ম ভান্ডার নক্ষত্র সমেত—
শুধু চিরচেনা মিউজিয়ামে ফিরে যাবে বলে অপেক্ষমান!

ধূলির স্তূপের উপর অজরগ্রস্থ মাদী কুকুরের চিৎকার
পাশেই পড়ে থাকা পিন-পয়েন্ট কলমের নষ্ট বডি,
একজোড়া সাইকেলের টায়ারের পরিত্যক্ত অর্ধেক অংশ
রং-পেন্সিলের পেন্সিল বিহীন পুরনো শূন্য বাক্স
পলিথিনের নষ্ট ব্যাগ; প্রতিটি নিঃসঙ্গ জিনিসেরই
আজ ভীষণ আনন্দ! তারা আমাকে পেয়েছে তাদের দলে, অন্ধকারে।

উদাস হয়ে জাগ্রত বিদ্যুতের খুঁটির উপর রক্তিম সূর্যোদয়ে
স্পষ্ট হয় দু টুকরো স্বাধীন ইটের প্রেমেও চড়ুইয়ের ভাগ!

আমার স্বাধীন নিঃসঙ্গতায় এইবার না হয় চড়ুই হও!
কংকারসার হার্ডওয়্যারে যুক্ত করো যত্নের কোডিং
তৈরী করো ভালবাসাপূর্ণ শান্তির সফটওয়্যার
বিশ্বাস করো! আরও কয়েকটা দিন উদাস সূর্যোদয় দেখতে চাই—
টকটকা সূর্যোদয়; ধমনী খসে পড়া রক্তের মত সূর্যোদয়।
যদিও আমি নিকৃষ্ট, নিঃসঙ্গ; শান্তি দেইনা উদাস সূর্যকেও
অথচ কিংবা তবুও এই সূর্য তোমাকে এবং নিঃকৃষ্ট আমাকেও কাছে চায়
এই নিকৃষ্টতায়ও উৎকৃষ্ট হয়ে উঠবে পৃথিবীর প্রতিটি ভোর।