লেখকের তথ্য

Photo
জন্মদিন: ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৮৭
গল্প/কবিতা: ১৪টি

প্রাপ্ত পয়েন্ট

বিজ্ঞপ্তি

এই লেখাটি গল্পকবিতা কর্তৃপক্ষের কোন সম্পাদনা ছাড়াই অথবা উপেক্ষণীয় সম্পাদনা সহকারে প্রকাশিত এবং কর্তৃপক্ষ এই লেখার বিষয়বস্তু, মন্তব্য অথবা পরিণতির ব্যাপারে দায়ী নয়।

keyboard_arrow_leftস্বাধীনতা (মার্চ ২০১১)

স্বাধীনতার ছবি
স্বাধীনতা

সংখ্যা

রাজিব ফেরদৌস

comment ৭৫  favorite ৬  import_contacts ১,৫২৪
এই শহরে থেকেও আমার গ্রামকে মনে পড়ে,
হৃদয় মাঝে গ্রামকে আমি সাজাই থরে থরে।
ঝিলের জলে শাপলা শালুক খলশে পুঁটির ঝাঁক
সাঁঝ-সকালে পাখ-পাখালির কিচির মিচির ডাক।
মাঠে মাঠে সেই কিষানের ফসল কাটার গান,
ভবন চিলের দেখলে ডানা মন করে আনচান।
চিলতে ঘুঘুর আকুল করা গান শুনি দুই কানে,
বাঁশের ঝাড়ে দোয়েল নাচে, ফিঙে নাচে ধানে।
গাছ তলাতে ফুল বিছানা, হিজল বকুল ফুল,
কচুরি ফুলে খোপা বেধে ভিজিয়ে রাখে চুল।
নীল কুয়াশার আঁচল পেতে সন্ধ্যা যখন নামে,
আকাশ ছড়ায় সাঁঝের মায়া রঙ্গিলা সব খামে।
বাবুই পাখির বাসা যখন বাও বাতাসে দোলে,
প্রভাত তখন অন্ধকারের চাদরটাকে খোলে।
পিছন বাড়ির আঁড়ায় তখন ভোরের পাখি ডাকে,
ঘরের মাঝে যদিও থাকি মন কি ঘরে থাকে?
মনের মাঝে টাঙ্গানো সেই পানসি নায়ের পাল,
সেই তো আমার এই জীবনের সোনালী সকাল।
বোশেখ এলেই আমার গাঁয়ের বটতলাতে মেলা,
তার ভিতরেই লুকিয়ে আছে আমার ছেলেবেলা।
একটি ছিল ছোট্ট নদী তার ছিল এক খাল,
সেই নদীটির পাড়েই আমার কাটছে কিশোর কাল।
এখন কাটাই ব্যস্ত জীবন ক্লান্ত শরীর মন,
তবু আমায় কেবল ডাকে জাম-জারুলের বন।
জাম-জারুলের বনেই আমার স্বাধীনতার ছবি,
সেসব কথা লিখতে গিয়ে কখন হলাম কবি!

advertisement

আপনার ভালো লাগা ও মন্দ লাগা জানিয়ে লেখককে অনুপ্রানিত করুন

advertisement