আমাদের এই নিয়নবাতির শহরে
কি ভীষণ গ্লানি নিয়ে ডুবে যায় অষ্টাদশী চাঁদ!
অন্ধত্বের গভীরতায় দেখা যায়না ওই ফুটপাত- অলিগলি অথবা চারপাশ।
যেখানে নেড়িকুত্তাগুলো খুবলে খায় কোনো বিপন্ন নারীর নগ্নপ্রায় শরীর!
কেঁপে উঠে শহরের দেয়াল শিশুর চিৎকারে কিন্তু দেখতে পায়না কেউ, শুনতেও পায়না!
এভাবেই ঘুমিয়ে যায় সেই হতভাগীরা জন্মের মতো হাহাকার বুকে করে!

আমাদের এই নিয়নবাতির শহরে
সেই কবে খসে গেছে সূর্যের সোনারঙ!
প্রাসাদগুলো কেঁপে উঠে তার শিৎকারে শিৎকারে!
যে পুরুষ নেতিয়ে পরে কামনা শেষে কিন্তু চেয়ে দেখেনা অতৃপ্ত রমণীরে!
যে পায়না কোনোদিন অর্গাজমের সুখ!
অভিমান জমে জমে সে সবুজনারী একদিন হারায়,
হারিয়ে আবার খুঁজে ফেরে নিজেরে!

আমাদের এই নিয়নবাতির শহরে
সাপের মতো ফণা তোলে স্নিগ্ধ বাতাস!
এখানে লুটপাট হয় প্রতিদিন অজস্র শুদ্ধ প্রেম
কাঁচের মতো ভাঙ্গে সংসার- খেলাঘর।
চারিদিকে ছায়া মেকি’র- চারিদিকে ছায়া মুখোশের!

কে দেখতে পায় বলো এখানে হিংস্রতা আছে!
কে দেখতে পায় বলো এখানে ক্ষুধা আছে, অভাব আছে!
কে দেখতে পায় বলো এখানে প্রেমহীন মানুষ বাঁচে!