নগরী'র শরীর বেয়ে গলে পড়ছে নির্মল পাপ
এখানে এখন নির্ভয়ে বিহঙ্গী'দের মেলা বসে
থেকে থেকে ছড়ায় শুধু ওরা নরকের উত্তাপ!
মাংসের লোভে হানা দেয় ওঁত পেতে থাকা শিকারী বাঘ!
বলতে পারো কি কেউ এই নগরীতে ঐশ্বরিক আলো কবে পড়েছিলো?

জননী'র যোনীপথ ছিঁড়ে নেমেছিল যে “স্বর্গশিশু”
মৈথুন শেষে নির্জনতা ভেঙ্গে সেও আজ সংক্রামিত গোপন ক্ষুধায়
ত্রাসের অট্রালিকায় নিজেই যেন ঈশ্বর বনে যায়!
জননী'র প্রার্থনায় ঝরে পরে অভিশাপ
একদিন পথের বাঁকে হারিয়ে যায় নিখাঁদ সম্পর্কের লেনদেন
বলতে পারো কি এই নগরীতে স্বর্গের দেবতা কবে নিঃশ্বাস ফেলেছি্লো?

কি অমার্জিতভাবে বিকে যায় শরীর, বিকে যায় রক্ত, বিকে সন্তান
ক্ষুধা'র কেনো এতো দানবের মতো জোর?
অন্নদেবতা কেনো তবে বিমাতা? কেনো সে বিলাসের ঘরে বসত করে?
বলতে পারো কি কেউ অন্নদেবতা কবে এই নগরীতে সাম্যের গান গেয়েছিলো?

শব'দের মিছিলে কেঁপে উঠে আজও মৃত্যুপুরী; যারা অনুমিত মৃত্যুর প্রার্থনা করে
ক্লান্ত হয়ে আক্ষেপে ছেড়েছিল এই নগরী! বাতাসে ভাসে আজও লাশের বোটকা গন্ধ
ওদের মিছিল ক্রমশ ভারী থেকে ভারী হয়- মুক্তি চায় ওরাও!
হে ঈশ্বর! বিচ্ছুরিত করো এক চিলতে আলো
যে ঐশ্বরিক আলো মুছে দিয়ে যাবে হয়ত ক্লেদিত জীবনের যত পাপ!
মিলুক মুক্তি-- ঈপ্সিত মুক্তি!