হঠাৎ আমি থমকে যাই ডাকছে কে যেন আমায়,

পেছন পানে চক্ষু চাহিয়া দেখিতে কিছু
না পায়।

মনের ভেতর কেমন জানি ভয় ভয় লাগে,

ভূত পিশাচের গল্প আমি শুনেছিলাম
আগে।

পথের ধারে পুরনো ঘরে থাকত একটা ভূত,

ঘাড় মটকিয়ে রক্ত খেয়ে হয়েছিল
সে অদ্ভুদ।

আগমনে তার গাছের পাতা হঠাত যায় থেমে,

দরদর করে ঘাম ঝরে সারা শরীর নেমে।

বড় বড় নখ তার নেইকো মাথায় চুল,

সাঁঝের বেলা সে পথেতে হাটাই ছিল
ভুল।

রক্ত মাখা লাল চোখ দেহের রং কালো,

মাংস পুড়িয়ে খাওয়ার জন্য জ্বালায়
রঙিন আলো।

তার কল্পনায় চোখের
মাঝে ছবি ভেসে উঠে,

দেবতা ছাড়া কারো নাম
মুখে নাহি ফোটে।

কেমন করে হব আমি এই পথটা পার,

এই বুঝি এল ভূত রেহাই নেই যে আর।