সেই দাগ আজও যায়নি,
সমাজ ভুলেনি সেই কথা,
চোখের পলকেই কেটে গেল ১৪ বছর,
এ যেন গায়ে আঁচড় কেটে দেয়া,
কলঙ্কের দাগ ।
বন্দী হলো মেয়েটি কংক্রিটের দেয়ালে,
বদ্ধ ঘরেতে আঁধার কারাবাসে,
কিছু পোকামাকড় ছাড়া সঙ্গী ছিল না তার,
মুখ ফুটে বলবে কারে?
জোর করে চাপিয়ে দেওয়া মিথ্যে অপবাদ।
জল নেই খাবার নেই,
স্বপ্ন নেই বাঁচার সম্ভাবনা নেই,
সে ঘর থেকে ভেসে আসে কান্না,
অশ্রুগুলো বলে যায় আমি কলঙ্কিনী নই।
হাজারো পথিক হেঁটে যায় সে পথে,
উঁকি দিয়ে দেখে না যে।
তার কষ্টে ঝরে না এক ফোঁটা চোখের জল,
আঁধার ঘরের এক কোণে বসে,
প্রহর গুণে এক বিন্দু আলোর অপেক্ষায়।
একদিন হয়তো কান্না থেমে যাবে,
চিরনিদ্রায় শায়িত হবে প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর,
বিলীন হবে সমাজের চোখে কলঙ্কিত দেহ,
প্রাচীরের ইট বালি কাঁদবে তার শোকে,
তবু মুছবে না সে নারীর কলঙ্কের দাগ।