চলতে চলতে হঠাৎ থেমে গেল পা, উদাস দৃষ্টি
রঙ্গিন হল সাত রংয়ে, বসন্তের দখিন হাওয়া পশান্তির
পরশে জাগিয়ে দিল পৃথিবী শুধু বিভোর প্রাণ যেন কার
ভাবনায়, প্রশান্ত প্রেমময় দুটি চোখ ছুঁয়ে যায় ক্ষণে ক্ষণে
অন্তরের অবারিত সবুজ সপ্নীল সুশোভিত প্রান্তর।
চঞ্চল আঁখিতে তার না বলা ভাষা, প্রকাশের নেই সাহস,
যখন তখন ব্যকুল দৃষ্টি ফেলে চলার পথে কাঙ্খিত
মানুষের আশায়, মুগ্ধ মনের আনাচে কানাচে স্বপ্ন বুনে
অহরহ আর সে স্বপ্নের ভেতর হেঁটে বেড়ায় প্রিয় মানুষের
হাত ধরে,অমিয় বৃষ্টি ধারায় ভেসে যায় স্বর্গীয় সরোবরে।
চোখে চোখ রেখে কাছে ডাকার একি আকুলতা, অতি কাছে
তবু যেন কত দূরে, দুজন জানে তারা কি চায়, সে চাওয়া যেন
সত্য ও সুন্দরের আনন্দময় কবিতা, প্রাণের সুখ প্রাচুর্যে ভরপুর
নশ্বর জীবনের অবিশ্বর গল্প। দিন যায় ধীরে, হয়না বলা।
একদিন স্বপ্নের ভেতর হেঁটে যাওয়ার সে ফুলেল পথ
বাঁক ঘুরে চলে গেল অন্য কোন অচেনা পথে: অন্য কোন গন্তব্যে।
ফুরিয়ে গেল প্রিয় মানুুষের কাছে যাওয়ার প্রসারিত পথ, কতকি বলার
ছিল, ছিল কত ভাষা। বুকের গভীরে জমানো ছিল প্রেম; পেলনা পূর্ণতা,
হলনা বলা না, না বলা প্রেম।